সংবাদদাতা, কাটোয়া: বিষধর সাপের সঙ্গেই সহবস্থান মঙ্গলকোট, ভাতারের সাতটি গ্রামের বাসিন্দাদের। বাড়ির চারপাশে, গ্রামের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ায় বিষধর কেউটে প্রজাতির সাপ। শুধুও হিস হিস শব্দ কানে ভেসে আসে। তবে এখানে সাপে দংশন করলে নাকি কেউ মারা যান না। বাসিন্দাদের বিশ্বাস, ওই সাপ হল আসলে মা ঝঙ্কেশ্বরী বা ঝাঁকলাই। শুক্রবার থেকেই মঙ্গলকোটের মশারু, পলসোনা, বড় পোষলা, ছোট পোষলা এবং নিগন, ভাতারের শিকোত্তর ও মুকুন্দপুর নিয়ে মোট সাতটি গ্রামে মহাসমারোহে পুজিত হলেন মা ঝঙ্কেশ্বরী বা ঝাঁকলাই। পুরোহিত জ্যান্ত কেউটে সাপের লেজ ধরেই পুজো করলেন। পলসোনা গ্রামের বিশিষ্ট পুরোহিত তাপস চট্টোপাধ্যায়, মশারু গ্রামের বাসিন্দা মধুসূদন কোঁয়ার, রঘুনাথ রায় বলেন, মা ঝাঁকলাইকে মূলত চারটি গ্রামেই বেশি দেখা যায়। মা ঝাঁকলাই আসলে হলেন কালনাগিনী। কালনাগিনী বেহুলার অভিশাপে মর্তে আসেন। সেই থেকেই এই এলাকায় বসবাস করছে বলে মানুষের বিশ্বাস। ওই গ্রামগুলিতে সারাবছরই সাপ ঘুরে বেড়ায়। কখনও বাড়ির হেঁশেলে ঢুকে পড়ে বিশালাকৃতি কুচকুচে কালো বিষধর কেউটে। আবার কখনও ঢুকে পড়ে গৃহস্থের বিছানার মধ্যে। গ্রামগুলিতে হেঁটে বেড়ালেও সাপের দর্শন মিলবে।



