নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: বাড়ির অমতে মন্দিরে গিয়ে প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ের ঘটনা আকছার ঘটে। অনেকক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরাও ছেলে ও মেয়েদের বিয়ে মন্দিরে দেন। পুরোহিতকে সামান্য দক্ষিণা দিলেই বিয়ে সারা হয়ে যায়। পাত্রপাত্রীর বয়স নিয়ে মাথা ঘামানো হয় না। জেলা প্রশাসন অবশ্য এমন বিবাহে রাশ টানতে চাইছে। মন্দিরে বিয়ে করতে গেলেই কিছু নিয়ম মানতে হবে। পাত্রপাত্রীর আধার কার্ডের জেরক্স মন্দিরের পুরোহিতের কাছে জমা করতে হবে। মন্দিরের রেজিস্টার্ড খাতায় নাম ও ঠিকানা নথিভুক্ত করতে হবে। সিডিপিও নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন।
Advertisement
ঝাড়গ্ৰামে বাল্যবিবাহ রোধে প্রশাসনের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কন্যাশ্রী ও রূপশ্রীর মতো প্রকল্প বাল্যবিবাহ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। গত ৫ নভেম্বর থেকে জেলায় চাইল্ড হেল্প লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার শিশু সুরক্ষা দপ্তরে আটজনের টিম তৈরি করা হয়েছে। টিমের সঙ্গে স্বাস্থ্য দপ্তর, পুলিস বিভাগ ও মনোবিদ রয়েছে। এছাড়া গ্ৰাম, গ্ৰাম পঞ্চায়েতে ও ব্লকস্তরে আলাদাভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুরসভা এলাকায় ওয়ার্ড লেভেলে আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভিলেজ কমিটিতে রাখা হয়েছে পঞ্চায়েত প্রধান, আশা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও স্থানীয় স্কুল শিক্ষকদের। বাল্য বিবাহের ঘটনা ঘটলে জেলার শিশু সুরক্ষা দপ্তরের পোর্টালে তা নথিভুক্ত করা হচ্ছে। নাবালক ও নাবালিকার বিয়ের কারণ সেখানে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়াও পরবর্তী ছয় মাস নাবালক ও নাবালিকার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার নির্দেশ রয়েছে।
এছাড়া মন্দিরে বিয়ে করতে গেলেও কিছু নির্দেশিকা এবার মানতে হবে। কঠোর ভাবে তা মানতে হবে। ব্লকস্তরে সিডিপিও বাল্য বিবাহের বিষয়টি নজরদারি করবেন। জেলা স্তরে ডিসিপিও দায়িত্ব সামলাবেন। জেলায় এতদিন কোনও চাইল্ড হেল্প লাইন ছিল না। সদ্য সেটি চালু হয়েছে। এছাড়াও শিশুদের থাকার জন্য সরকারি হোম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অল্পবয়সে মাতৃত্ব নিয়েও ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর থেকেও অল্পবয়সে মাতৃত্বের পরিসংখ্যান সংগ্ৰহ করা হচ্ছে। বিবাহের কারণ ও আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র ধরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলার সমাজকল্যাণ দপ্তর বাল্যবিবাহ রোধে একটি সামগ্ৰিক পরিকল্পনা নিয়ে এগতে চাইছে। জেলার শিশু সুরক্ষা দপ্তরের ডিসিপিও আর দাস বলেন, বাল্য বিবাহ রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ওয়ার্ড ও ভিলেজ কমিটির সদস্যরা গ্ৰামীণ এলাকায় এই বিষয়ে কাজ শুরু করছেন। মন্দিরে বিবাহের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশিকা রয়েছে। বিয়ের আগে মন্দিরের পুরোহিতের কাছে আধার কার্ড জমা দিতে হবে। রেজিস্টার্ড খাতায় নাম ও ঠিকানা নথিভুক্ত করতে হবে। শহরের নতুন ডিহি এলাকার বাসিন্দা পেশায় পুরোহিত পরিতোষ রায়চৌধুরী বলেন, আমাদের এখানে মন্দিরে বিয়ে দেবার চল রয়েছে। বিয়ের সব আচার আচরণ মেনেই মন্দিরে বিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের তরফ থেকেই বেশিরভাগ বিয়ের আয়োজন করা হয়। মন্দিরে বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই।
এছাড়া মন্দিরে বিয়ে করতে গেলেও কিছু নির্দেশিকা এবার মানতে হবে। কঠোর ভাবে তা মানতে হবে। ব্লকস্তরে সিডিপিও বাল্য বিবাহের বিষয়টি নজরদারি করবেন। জেলা স্তরে ডিসিপিও দায়িত্ব সামলাবেন। জেলায় এতদিন কোনও চাইল্ড হেল্প লাইন ছিল না। সদ্য সেটি চালু হয়েছে। এছাড়াও শিশুদের থাকার জন্য সরকারি হোম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অল্পবয়সে মাতৃত্ব নিয়েও ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর থেকেও অল্পবয়সে মাতৃত্বের পরিসংখ্যান সংগ্ৰহ করা হচ্ছে। বিবাহের কারণ ও আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র ধরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলার সমাজকল্যাণ দপ্তর বাল্যবিবাহ রোধে একটি সামগ্ৰিক পরিকল্পনা নিয়ে এগতে চাইছে। জেলার শিশু সুরক্ষা দপ্তরের ডিসিপিও আর দাস বলেন, বাল্য বিবাহ রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ওয়ার্ড ও ভিলেজ কমিটির সদস্যরা গ্ৰামীণ এলাকায় এই বিষয়ে কাজ শুরু করছেন। মন্দিরে বিবাহের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশিকা রয়েছে। বিয়ের আগে মন্দিরের পুরোহিতের কাছে আধার কার্ড জমা দিতে হবে। রেজিস্টার্ড খাতায় নাম ও ঠিকানা নথিভুক্ত করতে হবে। শহরের নতুন ডিহি এলাকার বাসিন্দা পেশায় পুরোহিত পরিতোষ রায়চৌধুরী বলেন, আমাদের এখানে মন্দিরে বিয়ে দেবার চল রয়েছে। বিয়ের সব আচার আচরণ মেনেই মন্দিরে বিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের তরফ থেকেই বেশিরভাগ বিয়ের আয়োজন করা হয়। মন্দিরে বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই।



