Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অর্ডারের চাপ, খাওয়া-ঘুম ভুলে পতাকা তৈরিতেই ব্যস্ত মহেশতলার কারিগররা

সিপিএম কখনও দু’হাজার। বিজেপি কখনও পাঁচ হাজার। জোড়া ফুল থাকছে আড়াই হাজারের মধ্যে। এটি কোনো গণনাকেন্দ্রে ভোটে এগিয়ে-পিছিয়ে থাকার পরিসংখ্যান নয়

অর্ডারের চাপ, খাওয়া-ঘুম ভুলে পতাকা তৈরিতেই ব্যস্ত মহেশতলার কারিগররা
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সিপিএম কখনও দু’হাজার। বিজেপি কখনও পাঁচ হাজার। জোড়া ফুল থাকছে আড়াই হাজারের মধ্যে। এটি কোনো গণনাকেন্দ্রে ভোটে এগিয়ে-পিছিয়ে থাকার পরিসংখ্যান নয়। এটি হল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন দলের পতাকা তৈরির অর্ডার।

Advertisement

পাইকারি বাজার থেকে এইরকম সব বরাত আসছে। তা তৈরি করে সরবরাহ করতে এখন নাওয়াখাওয়া ভুলেছে মহেশতলার চন্দননগরের পতাকা তৈরির কারিগররা। বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট সামনে সপ্তাহে ঘোষণা হতে পারে। তারপর সব দলের প্রচার, সভা, মিছিল ইত্যাদি হতে থাকবে। পার্টির পতাকায় এলাকা মুড়ে ফেলার দায়িত্ব পড়বে কর্মীদের ঘাড়ে। তাই যে যাঁর দলের পতাকা মজুত করতে শুরু করে দিয়েছেন আগে থেকেই। তাই নির্বাচনের আবহ ঘনিয়ে আসতেই মহেশতলার চন্দননগরের কারখানাগুলিতে বাস্ততা বেড়েছে। এলাকাজুড়ে সারাবছর তৈরি হয় জাতীয় পতাকা থেকে শুরু করে উত্তরীয় এবং ব্যাজ। সাধারণ সময়ের তুলনায় নির্বাচন মরশুমে কাজের চাপ যায় কয়েক গুণ বেড়ে। ফলে ব্যবসায়ী থেকে কারিগর‌ সকলেই এখন হিমশিম খাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, এখানে তৈরি হওয়া পতাকা ও অন্যান্য সামগ্রী মূলত কলকাতার বড়বাজার সহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে সেগুলি কিনে নিয়ে যায় বিভিন্ন দল। পাশাপাশি অনেক রাজনৈতিক দল সরাসরি এখানকার ব্যবসায়ীদের বড়ো অর্ডার দিয়ে থাকে। কারিগরদের কথায়, বিধানসভা নির্বাচন মাথায় রেখে এখন দিনরাত কাজ চলছে। নির্বাচন ঘোষণার পর অর্ডারের চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। শাহজাহান গাজি নামে এক কর্মী বলেন, ‘সিপিএম, তৃণমূল, বিজেপির পাশাপাশি আরও অনেক আনকোরা দলের পতাকা তৈরির অর্ডার এসেছে। চরম ব্যস্ততা চলছে কারখানায়।’ জাহির আব্বাস নামে আরেকজনের বক্তব্য, ‘ভোট ঘোষণা হলে ত আরও বেশি বরাত আসবে। তখন আরও বেশি চাপ হবে।’ 

সম্পর্কিত সংবাদ