Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

দেশজুড়ে অভিযানের প্রস্তুতি? ইডির কাঠামোয় বড়ো বদল, বাড়ানো হচ্ছে কর্মী-অফিসার সংখ্যা

পাঁচ রাজ্যের ভোটের পর ফের অতিরিক্ত সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেরলের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাসভবনে অভিযান চালানো হয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে কিনা সেই জল্পনাও তুঙ্গে।

দেশজুড়ে অভিযানের প্রস্তুতি? ইডির কাঠামোয় বড়ো বদল, বাড়ানো হচ্ছে কর্মী-অফিসার সংখ্যা
  • ২৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি,নয়াদিল্লি: পাঁচ রাজ্যের ভোটের পর ফের অতিরিক্ত সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেরলের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাসভবনে অভিযান চালানো হয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে কিনা সেই জল্পনাও তুঙ্গে। পাঞ্জাবে আম আদমি পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে ইডি অভিযান অব্যাহত। অন্ধ্রপ্রদেশে আন্তঃরাজ্য খনি মাফিয়া চক্রের সঙ্গে একাধিক রাজ্যের প্রভাবশালীদের যোগসূত্র সন্ধানে অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, তিন রাজ্যে এই  চক্রের জাল ছড়ানো। কয়েকজন রাজনীতিবিদও ইডির নজরে। একঝাঁক রাজ্যে ইতিমধ্যেই ইডির তৎপরতা বেড়েছে। ইডি যে আগামীদিনে দেশজুড়ে আরও সক্রিয় হতে চলেছে তার আভাস মিলছে। কারণ, ইডির প্রায় সব স্তরে কর্মী, অফিসার, তদন্তকারীর সংখ্যা বাড়তে চলেছে। 

Advertisement

প্রশাসনিক পদ, আইনি পরামর্শদাতা ও লিগাল সেল, তদন্ত উইংএ সবথেকে বেশি বাড়ছে কর্মী সংখ্যা। অতিরিক্ত ডিরেক্টর পদের সংখ্যা ১০ থেকে বেড়ে হবে ২৪। যুগ্ম ডিরেক্টরের পদের সংখ্যা ২৮ থেকে বেড়ে হতে চলেছে ৪৯। একইসঙ্গে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর সংখ্যা হবে ৫৩১। যা ছিল ২৫৫। ডেপুটি ডিরেক্টর পদের সংখ্যা বেড়ে হবে ২৬৭। এজেন্সির সবথেকে বেশি কার্যকর পদ হল এনফোর্সমেন্ট অফিসার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট এনফোর্সমেন্ট অফিসার।  এক্ষেত্রে এনফোর্সমেন্ট অফিসার পদের সংখ্যা  ৩৫৫ থেকে বেড়ে  হবে ৬০৬। অন্যদিকে এক ধাক্কায় দ্বিগুণ হচ্ছে অ্যাসিস্ট্যান্ট এনফোর্সমেন্ট অফিসার। নতুন করে বৃদ্ধি করে  মোট পদ হবে ৮০৩। বিগত বছরগুলিতে লক্ষ্য করা গিয়েছে ইডি অতি সক্রিয় হয়ে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতাদের গ্রেপ্তার করলেও সাজা হয়নি সিংহভাগের। বিগত ১২ বছরে যত গ্রেপ্তার হয়েছে তার ৯৫ শতাংশ বিরোধী দলের নেতামন্ত্রী। অথচ ৫ শতাংশও সাজা হয়নি। একের পর এক মামলায় জামিন হয়ে গিয়েছে অভিযুক্ত নেতাদের। এমনকী মামলা থেকে বেকসুর মুক্তিও পেয়েছেন অনেক নেতা। সুপ্রিম কোর্টে একাধিকবার ইডিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কারণ তারা গ্রেপ্তার করেছে, মাসের পর মাস জেলে রেখেছে বিরোধীদের। অথচ মামলার অভিযোগের সপক্ষে কেস সাজাতে পারেনি। চার্জ গঠন করতেও ব্যর্থ। ইডি যে রাজনৈতিক স্বার্থেই অভিযান চালাচ্ছে, এই অভিযোগ বারংবার  প্রমাণিত হচ্ছে। আর তাই এবার লিগাল বিভাগে সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। সেইমতোই লিগাল অ্যাডভাইসর ও অ্যাসিস্ট্যান্ট আ্যডভাইসর পদে একঝাঁক নতুন নিয়োগ হচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে ইডির সক্রিয়তা বহুগুণ বৃদ্ধি পেতে চলেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ