সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়ার বড়বাড়ি গ্রামে মহাকালী পুজো ও ৫১ মহাসতীপীঠের মাতৃ আরাধনা ঘিরে এখন প্রস্তুতি তুঙ্গে। ২২মার্চ, শনিবার ১৩০জন পুরোহিতের মন্ত্রোচারণ ও তন্ত্র আরাধনার মধ্য দিয়ে পুজো ও মাতৃবন্দনা শুরু হচ্ছে। বড়বাড়ি দক্ষিণ-পূর্ব গ্রামের বাসিন্দাদের উদ্যোগে ২৫মার্চ পর্যন্ত চারদিন ধরে মহাকালী ও মহাসতীপীঠের আরাধনা, পুজো এবং মেলা অনুষ্ঠিত হবে। শিল্পশহর হলদিয়া লাগোয়া বড়বাড়ি গ্রাম। ওই গ্রামে বসন্তকালে যেন শারদোৎসবের উৎসবের আমেজ। আলোয় সেজে উঠেছে পুরো এলাকা। মাঠজুড়ে সুসজ্জিত মণ্ডপে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই উৎসাহী দর্শকের আনাগোনা শুরু হয়েছে। দু’দশক আগে ওই গ্রামে মহাকালী পুজো শুরু হয়। এবছর ৫১ মহাসতীপীঠের মাতৃ আরাধনার আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে ২০২০সালে মহাসতীপীঠের পুজো হয়েছিল। তবে এবারের আয়োজন অনেক বড়। দু’বছর আগে থেকে এই পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ছ’মাস আগে প্রতিমা দাতাদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। মোট ৫৩ দেবদেবীর একসঙ্গে পুজো হবে। এজন্য ৫৩টি পুজো কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। মহাকালী হল কালীর এক বিশেষ রূপ। পুরাণ অনুসারে ওই দেবী মহাকাল অর্থাৎ শিবের সঙ্গিনী। মহাকালী পুজোর সঙ্গে ৫১সতীপীঠের পুজো ঘিরে গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। এই জেলার তমলুকে বর্গভীমা মন্দির সতীপীঠ হিসেবে পরিচিত। অসমের কামাক্ষ্যা দেবী, ত্রিপুরার ত্রিপুরাসুন্দরী, রাজস্থানের অম্বিকা সহ একাধিক দেবদেবীর মূর্তি তুলে ধরা হয়েছে।



