সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: ‘রথ টানলে দুর্গা আসে’— এটা শুধুমাত্র প্রবাদ নয়, বাঙালির গভীর বিশ্বাস। বছরের অর্ধেক কাটতে না কাটতেই আসে রথযাত্রা। সেই সঙ্গেই কৃষ্ণনগরের পালপাড়ায় শুরু হয় দুর্গা প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি। এই সময় থেকেই বিভিন্ন ক্লাব, বারোয়ারি, এবং বাড়ির পুজোগুলোর অর্ডার আসতে শুরু করে। তাই রথের দিন পালপাড়ার শিল্পীদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। পুজো প্রস্তুতি নিয়ে স্বর্গীয় সুবল পালের পুত্র রাজীব পাল বলেন, পুজোর অর্ডার ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছে, দিন যত এগতে থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও অনেক অর্ডার আসবে। ছোট বড় সব ধরনের প্রতিমা গড়া হয় এখানে। তবে বর্তমানে মৃৎশিল্পের অবস্থা ভালো ননয়, নতুন প্রজন্ম খুব একটা এই কাজে উৎসাহী নয়। কৃষ্ণনগরের আরেক প্রখ্যাত মৃৎশিল্পী গীতা পাল বলেন, পুজোর অর্ডার এখনও খুব একটা বেশি আসেনি, তবে প্রতিবছর ভালোই অর্ডার পাই। এবারও আশা করি হবে। কাজের চাপ শুরু হয়ে গিয়েছে, একদম জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত চলবে। এখন কাঁচামালের দাম অনেকটা বেড়ে গিয়েছে, কিন্ত পুজো কমিটিগুলো বেশি দাম দিয়ে ঠাকুর নিতে চায় না। ফলে লাভ কম হয়। শিল্পীদের আক্ষেপ, সরকার বা প্রশাসনের তরফে যদি কিছু সাহায্য মিলত, তাহলে আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারতাম।



