জয়পুর: পাঞ্জাব কিংস শেষবার আইপিএলের প্লে-অফে খেলেছিল ২০১৪ সালে। তারপর এক দশকেরও বেশি সময় প্রথম চার দলের মধ্যে থাকতে পারেনি প্রীতি জিন্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবার তারাই প্রথম দুইয়ের মধ্যে জায়গা নিশ্চিত করেছে। সোমবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সাত উইকেটে হারিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে পাঞ্জাব। এর ফলে ফাইনালে ওঠার জন্য দুটো সুযোগ পাবে তারা। তবে এখনই তৃপ্ত হওয়ার কোনও কারণ দেখছেন না কোচ রিকি পন্টিং। তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, এটা সাফল্য ঠিকই। তবে এখনও আমরা কিছুই অর্জন করিনি। প্লে-অফে ওঠার পর থেকে এটাই ক্রিকেটারদের বলছি।’
চলতি মরশুমে পাঞ্জাবের ধারাবাহিকতার রহস্য কী? পন্টিংয়ের উত্তর, ‘আমাদের দলটা দুর্দান্ত। সকলে এককাট্টা হয়ে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছি। একে অন্যের সাফল্য উপভোগ করি আমরা। সবাই মিলে হইহই করে সময় কাটাচ্ছি গত দশ সপ্তাহ ধরে। এভাবেই আরও এক সপ্তাহ কাটাতে চাইছি।’ ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘দিল্লি ক্যাপিটালসের পর পাঞ্জাবেও শ্রেয়সকে পেতে মরিয়া ছিলাম। নিলামে ওর জন্য ২৬.৭৫ কোটি টাকা খরচ করাতেই তা পরিষ্কার। শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, ব্যক্তিগতভাবেও ওকে চিনি। আমি যখন কোচ তখন ও দিল্লিকে ফাইনালে তুলেছিল ক্যাপ্টেন হিসেবে। সাফল্য পেতে গেলে শ্রেয়সের মতো একজন যোগ্য নেতার প্রয়োজন। ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও প্রচুর সময় কাটায়, ওদের অনুপ্রাণিত করে। এগুলোই দক্ষ অধিনায়কের বৈশিষ্ট্য।’
শুধু কোচ পন্টিংই নন, ক্যাপ্টেন শ্রেয়সে মজেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যতম কর্ণধার প্রীতি জিন্টাও। দাপটে মুম্বই বধের পর বলিউড নায়িকা বলেছেন, ‘শ্রেয়স অসাধারণ ক্যাপ্টেন। ও গ্রেট লিডার। সৌভাগ্যবশত আমরা ওকে পেয়েছি। পন্টিংয়ের সঙ্গে ওর জুটি দুর্দান্ত সফল।’ স্বয়ং শ্রেয়স আবার কৃতিত্ব দিয়েছেন কোচকে। বলেছেন, ‘রিকি আমাকে প্রচুর স্বাধীনতা দিয়েছে। সে জন্যই মাঠে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি। প্লেয়ার ম্যানেজমেন্টেও রিকির তুলনা নেই। অধিনায়ক হিসেবে সফল হওয়ার জন্য কোচের আস্থা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।’