নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কয়েক মাস আগে পুলিস ও জেল কর্তৃপক্ষের তরফে পরিদর্শন চালানো হয়। কিন্তু ওই পরিদর্শনই সার। জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে আজও তৈরি হয়নি প্রিজনার্স সেল। ফলে জেলবন্দি কয়েদি ও থানার লকআপে থাকা আসামিদের চিকিৎসা নিয়ে বাড়ছে সঙ্কট। ওয়ার্ডে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে রেখে চিকিৎসা করাতে গিয়ে কিছুদিন আগেই জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল থেকে এক জেলবন্দির পালানোর ঘটনা ঘটে। পরে তাকে শিলিগুড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। কিন্তু, ওই ঘটনার পরও জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে প্রিজনার্স সেল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement
জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, প্রায় ছয়-সাত মাস আগে পুলিস ও জেলের তরফে প্রিজনার্স সেলের ব্যাপারে পরিদর্শন করা হয়েছিল। সেসময় তাদের মেডিক্যাল চত্বরে টিবি হাসপাতালের নীচের তলাটি প্রিজনার্স সেলের জন্য দেখানো হয়। কিন্তু এখনও পুলিস এবং কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি। ফলে প্রিজনার্স সেল নিয়ে আর কিছু এগয়নি।
এনিয়ে জেলার পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, সদর হাসপাতালে প্রিজনার্স বন্দিসেল চালু রয়েছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সেল গড়ার। সেটির কাজ চলছে। মেডিক্যালের পুলিস ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুণ্ডু বলেন, মেডিক্যালে প্রিজনার্স সেলের ব্যাপারে কিছু জানা নেই। শুনেছি, অনেক আগে একবার পরিদর্শন হয়েছিল। তারপর বিষয়টি এগিয়েছে কি না বলতে পারব না। জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কারা দপ্তরের ডিআইজি শুভেন্দুকৃষ্ণ ঘোষ বলেন, আমি সবে এখানে দায়িত্ব নিয়েছি। প্রিজনার্স সেল থাকলে কিছুটা তো সুবিধা হয়। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। মেডিক্যাল সূত্রে খবর, জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে চক্ষু বিভাগের ভবনে একটি প্রিজনার্স সেল রয়েছে। কিন্তু প্রথম থেকেই সেখানে গিয়ে চিকিৎসা করার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করতেন ডাক্তারদের একাংশ। ফলে ওই সেল খালিই পড়ে থাকত। আর এখন সদর হাসপাতালে সেই অর্থে কোনও বন্দি বা আসামিকে চিকিৎসার জন্য আনাই হয় না। সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় মেডিক্যালের অধীনে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে কোনও প্রিজনার্স সেল নেই। ফলে ওয়ার্ডে আর পাঁচজন সাধারণ রোগীর সঙ্গেই বন্দি বা আসামিদের রেখে চিকিৎসা করতে হয়। জেলরক্ষী কিংবা পুলিস পাহারা থাকলেও আসামিদের পালানোর শঙ্কা থেকেই যায়।
জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে কিছুদিন আগেই তৈরি হয়েছে পুলিস ফাঁড়ি। সূত্রের খবর, ফাঁড়ির পাশেই যাতে প্রিজনার্স সেল তৈরি করা যায়, সেব্যাপারে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল পুলিসের তরফে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। আবার নতুন জায়াগাও চিহ্নিত হয়নি। সবমিলিয়ে মেডিক্যালে প্রিজনার্স সেল তৈরির বিষয়টি ঝুলেই রয়েছে।
এনিয়ে জেলার পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, সদর হাসপাতালে প্রিজনার্স বন্দিসেল চালু রয়েছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সেল গড়ার। সেটির কাজ চলছে। মেডিক্যালের পুলিস ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুণ্ডু বলেন, মেডিক্যালে প্রিজনার্স সেলের ব্যাপারে কিছু জানা নেই। শুনেছি, অনেক আগে একবার পরিদর্শন হয়েছিল। তারপর বিষয়টি এগিয়েছে কি না বলতে পারব না। জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কারা দপ্তরের ডিআইজি শুভেন্দুকৃষ্ণ ঘোষ বলেন, আমি সবে এখানে দায়িত্ব নিয়েছি। প্রিজনার্স সেল থাকলে কিছুটা তো সুবিধা হয়। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। মেডিক্যাল সূত্রে খবর, জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে চক্ষু বিভাগের ভবনে একটি প্রিজনার্স সেল রয়েছে। কিন্তু প্রথম থেকেই সেখানে গিয়ে চিকিৎসা করার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করতেন ডাক্তারদের একাংশ। ফলে ওই সেল খালিই পড়ে থাকত। আর এখন সদর হাসপাতালে সেই অর্থে কোনও বন্দি বা আসামিকে চিকিৎসার জন্য আনাই হয় না। সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় মেডিক্যালের অধীনে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে কোনও প্রিজনার্স সেল নেই। ফলে ওয়ার্ডে আর পাঁচজন সাধারণ রোগীর সঙ্গেই বন্দি বা আসামিদের রেখে চিকিৎসা করতে হয়। জেলরক্ষী কিংবা পুলিস পাহারা থাকলেও আসামিদের পালানোর শঙ্কা থেকেই যায়।
জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে কিছুদিন আগেই তৈরি হয়েছে পুলিস ফাঁড়ি। সূত্রের খবর, ফাঁড়ির পাশেই যাতে প্রিজনার্স সেল তৈরি করা যায়, সেব্যাপারে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল পুলিসের তরফে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। আবার নতুন জায়াগাও চিহ্নিত হয়নি। সবমিলিয়ে মেডিক্যালে প্রিজনার্স সেল তৈরির বিষয়টি ঝুলেই রয়েছে।



