নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা ইস্যুতে সোমবার রাজ্যসভায় বিজেপির সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের অসহযোগিতাতেই বাংলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলে এদিন অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী জিতনরাম মাঝি। মন্ত্রীকে জবাব দেন তৃণমূল কংগ্রেসের দোলা সেন। বলেন, বাংলায় মহিলারা বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন। নিজেরাই নিজের রোজগারের পথ সুগম করছেন।
Advertisement
এদিন রাজ্যসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার বাস্তবায়ন নিয়ে জানতে চান পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তারই জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতনরাম মাঝি জানান, দেশের প্রায় সবক’টি রাজ্যই এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছে। শুধু বাংলার মতো দু’একটি রাজ্য এতে অংশ নেয়নি। ফলে ওই রাজ্যগুলিতে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরে এই প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই সংক্রান্ত স্টেট মনিটরিং কমিটি এবং ডিস্ট্রিক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি তৈরি করেনি। অথচ রাজ্যের ৭ লক্ষ ৭৮ হাজারেরও বেশি মানুষ এর জন্য আবেদন করেছেন। পিএম বিশ্বকর্মা স্কিমের নিয়ম মতো আবেদনের যাচাই প্রক্রিয়া রাজ্য সরকার গঠিত কমিটিকেই করতে হবে। তারপর তা বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে বাংলায় কোনও কমিটি গঠন না হওয়ায় তা রূপায়িত হচ্ছে না। পাল্টা তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেন বলেন, বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের যেভাবে রোজগারের পথ খুলে যাচ্ছে, তা স্বীকার করতে হবে কেন্দ্রকে। তারা বরং আগে রাজ্যকে স্বীকৃতি দিক।
প্রসঙ্গত, পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শিল্পীদের স্বনির্ভর করে কেন্দ্র। মোট ১৮টি ক্ষেত্রকে এর তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যেমন, ছুতোর, স্বর্ণকার, রাজমিস্ত্রী, কুমোর প্রভৃতি। ২০২৭-২৮ আর্থিক বছর পর্যন্ত এই কর্মসূচির মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ পর্বে দৈনিক ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার বন্দোবস্তও করেছে কেন্দ্র। এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনায় সারা দেশে ২ কোটি ৬৫ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩৫৫টি আবেদন জমা পড়েছে। গৃহীত হয়েছে ২৭ লক্ষেরও কিছু বেশি।
প্রসঙ্গত, পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শিল্পীদের স্বনির্ভর করে কেন্দ্র। মোট ১৮টি ক্ষেত্রকে এর তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যেমন, ছুতোর, স্বর্ণকার, রাজমিস্ত্রী, কুমোর প্রভৃতি। ২০২৭-২৮ আর্থিক বছর পর্যন্ত এই কর্মসূচির মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ পর্বে দৈনিক ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার বন্দোবস্তও করেছে কেন্দ্র। এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনায় সারা দেশে ২ কোটি ৬৫ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩৫৫টি আবেদন জমা পড়েছে। গৃহীত হয়েছে ২৭ লক্ষেরও কিছু বেশি।



