সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে কারচুপির অভিযোগ মেখলিগঞ্জ শহরে। এই নিয়ে মেখলিগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মর্জিনা বেগম। দাবি, তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর জালিয়াতি করে আবাসের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রায় তিন লক্ষ টাকার প্রতারণা হয়েছে। এই ঘটনায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঊষা পণ্ডিত এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভিজিৎ নন্দীর বিরুদ্ধে পুলিসের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিজিতবাবু মেখলিগঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন কর্মচারী। এই ঘটনায় পুর এলাকায় শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
অভিযোগকারিণী মহিলার স্বামী মফিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের ঘটনা। আমার স্ত্রীর নামে আবাস বরাদ্দ হলেও টাকা হাতে পাইনি। বারবার পুরসভায় গিয়েও সদুত্তর পাইনি। শেষে তথ্য জানার অধিকার আইনের সাহায্য নিয়ে জানতে পারি, স্ত্রীর নামে আবাস বরাদ্দ হলেও জালিয়াতি করে অন্যের অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে টাকা ঢোকানো হয়েছে। টাকা ঢুকেছে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঊষা পণ্ডিতের অ্যাকাউন্টে। অভিযোগ, প্রাক্তন পুরকর্মী অভিজিৎ নন্দীর মদতে এই জালিয়াতি ঘটানো হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিজিৎবাবুর অবশ্য দাবি, এই ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। আমি অবসরগ্রহণ করেছি। এখন কেন যে, এসব কথা উঠছে, বুঝতে পারছি না।
এই ব্যাপারে ঊষা পণ্ডিতের ছেলে মানস পণ্ডিত বুধবার জানিয়েছেন, আমরাও আবাসের জন্য আবেদন করেছিলাম। কয়েক কিস্তিতে প্রায় তিন লক্ষ টাকাও পেয়েছি। সেই টাকায় ঘরও নির্মাণ চলছে। এখনও শেষ কিস্তির ২৮ হাজার টাকা বাকি রয়েছে। আজকে কিছু অভিযোগ শুনতে পাচ্ছি। আসলে বিষয়টি কী, তা পুরসভাই বলতে পারবে।
এই ব্যাপারে মেখলিগঞ্জ পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনি বলেন, এটা বিগত বোর্ডের আমলের ঘটনা। আমার কাছে এখনও অভিযোগের কপি আসেনি। কেউ দোষ করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মণিভূষণ সরকার বলেন, একটি অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত হচ্ছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিজিৎবাবুর অবশ্য দাবি, এই ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। আমি অবসরগ্রহণ করেছি। এখন কেন যে, এসব কথা উঠছে, বুঝতে পারছি না।
এই ব্যাপারে ঊষা পণ্ডিতের ছেলে মানস পণ্ডিত বুধবার জানিয়েছেন, আমরাও আবাসের জন্য আবেদন করেছিলাম। কয়েক কিস্তিতে প্রায় তিন লক্ষ টাকাও পেয়েছি। সেই টাকায় ঘরও নির্মাণ চলছে। এখনও শেষ কিস্তির ২৮ হাজার টাকা বাকি রয়েছে। আজকে কিছু অভিযোগ শুনতে পাচ্ছি। আসলে বিষয়টি কী, তা পুরসভাই বলতে পারবে।
এই ব্যাপারে মেখলিগঞ্জ পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনি বলেন, এটা বিগত বোর্ডের আমলের ঘটনা। আমার কাছে এখনও অভিযোগের কপি আসেনি। কেউ দোষ করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মণিভূষণ সরকার বলেন, একটি অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত হচ্ছে।



