সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: এবার বিজেপির হাতছাড়া হল লতাপোতা গ্রাম পঞ্চায়েত। শুক্রবার রাতে মাথাভাঙা-২ ব্লকের লতাপোঁতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাধবী অধিকারী ও উপপ্রধান উমাশঙ্কর বর্মন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মনের বাড়ি এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। নিজের গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানকে ধরে রাখতে না পারায় কার্যত বিধায়কের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার দলবদলে ক্ষমতা দখল করার পর লতাপোঁতার কুশিয়ারবাড়ি বাজারে মিছিল করে তৃণমূল। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, আরও চার-পাঁচ জন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য দলবদল করার জন্য যোগাযোগ করেছেন। তাঁদেরও শীঘ্রই দলে যোগদান করানো হবে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মাথাভাঙা-২ ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ছ’টির দখল নিয়েছিল বিজেপি। ইতিমধ্যে ফুলবাড়ি, ঘোকসাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। বড় শৌলমারি, পাড়ডুবি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করায় এই দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল। এবার খোদ বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মনের নিজের এলাকার পঞ্চায়েত দখলে নিল তৃণমূল। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৩টিতে জয়লাভ করে। প্রধান ও উপপ্রধান দলবদল করায় এখন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সংখ্যা দাঁড়াল ১২। বিজেপির পঞ্চায়েত সংখ্যা হল ১১।
এব্যাপারে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি প্রসেনজিৎ বর্মন বলেন, প্রধান ও উপপ্রধান আমাদের দলে যোগদান করার জন্য আবেদন করেছিলেন। শুক্রবার রাতে দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়েছেন। আমাদের সঙ্গে আরও চার-পাঁচ জন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য যোগাযোগ করছেন। আমরা সেটা দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। তারপর তাঁদেরকে দলে যোগদান করানো হবে।
এব্যাপারে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি প্রসেনজিৎ বর্মন বলেন, প্রধান ও উপপ্রধান আমাদের দলে যোগদান করার জন্য আবেদন করেছিলেন। শুক্রবার রাতে দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়েছেন। আমাদের সঙ্গে আরও চার-পাঁচ জন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য যোগাযোগ করছেন। আমরা সেটা দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। তারপর তাঁদেরকে দলে যোগদান করানো হবে।
মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে দলবদল করাচ্ছে তৃণমূল। ওরা এধরনের কাজ ধারাবাহিক করছে। আমরা এনিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। মানুষ এসব দেখছে। সময় মতো এসবের জবাব দেবে সাধারণ মানুষ।



