নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: নতুন বছরের শুরু থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা টেক্কা দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিকেও।
Advertisement
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, গত ৩১ ডিসেম্বর পুরুলিয়া জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরদিন পয়লা জানুয়ারি তা আরও নেমে দাঁড়ায় ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবারও পারদ পতন অব্যাহত থাকতে পারে বলে দপ্তর সূত্রের খবর। দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, পরিষ্কার আকাশ, সেইসঙ্গে ঘূর্ণাবর্ত না থাকায় এখন উত্তুরে কনকনে বাতাসের প্রবেশে কোনও বাধা নেই। সেই কারণেই পারদ পতন অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনভর হিমেল হাওয়া বয়েছে জেলার সর্বত্র। রোদের তেজও তেমন ছিল না। তারই জেরে কার্যত জবুথবু জেলার বাসিন্দারা। পাহাড়ী ও জঙ্গল এলাকায় ঠান্ডার দাপট ছিল আরও বেশি। বান্দোয়ান থেকে বাঘমুন্ডি, ঝালদা থেকে নিতুড়িয়া— শীতে সমস্ত এলাকাতেই বেলা সাড়ে ৯টার আগে পথেঘাটে লোকজনের দেখা মেলেনি। সাত সকালে নিতান্তই যাঁরা বেরিয়েছিলেন, তাঁদের আপদমস্তক গরম পোশাকে ঢাকা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকে বাজারহাটের ভিড়ও অনেক কম। বিশেষত গ্রামাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা সাতটার পর থেকেই দোকানপাট বন্ধ করতে শুরু করে দিচ্ছেন। শীতের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই পুরুলিয়া শহরের সাহেববাঁধ এলাকায় কম দেখা যাচ্ছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের।
পুরুলিয়া বাস স্ট্যান্ডের এক চালক বলেন, শীত যতই পড়ুক না কেন, প্রতিদিন ভোর সাড়ে চারটেয় বাস নিয়ে বেরতে হয়। ভোরের দিকে ঠান্ডায় বাস চালানো যায় না। ঠান্ডায় হাত জমে যায়। তাও কাজে ফাঁকি দেওয়ার উপায় নেই! এদিন সকালের দিকে পুরুলিয়ায় ট্রেনে-বাসে সেভাবে যাত্রী ছিল না। এদিন বাজারে দেশি মাছের জোগানও ছিল কম। মাছ ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, প্রচণ্ড শীতের কারণে পুকুর কিংবা জলাশয়ে নেমে মাছ ধরতে চাইছেন না জেলেরা। তবে চালানি মাছের জোগান একই ছিল। হাড়হিম করা শীত থেকে বাঁচতে এদিন দুপুরেও মানুষকে আগুন পোহাতে দেখা যায় পুরুলিয়ায়।
ঠান্ডায় জমিয়ে পিকনিক করতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। পয়লা জানুয়ারির তুলনায় ভিড় কম থাকলেও এদিনও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পিকনিকে মাততে দেখা গিয়েছে মানুষকে। এই সময়ে জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রই হাউসফুল। আগামী শনি ও রবিবার ছুটি থাকায় ওই দু’ দিন ফের ভিড় উপচে পড়বে বলে আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের।
বৃহস্পতিবার দিনভর হিমেল হাওয়া বয়েছে জেলার সর্বত্র। রোদের তেজও তেমন ছিল না। তারই জেরে কার্যত জবুথবু জেলার বাসিন্দারা। পাহাড়ী ও জঙ্গল এলাকায় ঠান্ডার দাপট ছিল আরও বেশি। বান্দোয়ান থেকে বাঘমুন্ডি, ঝালদা থেকে নিতুড়িয়া— শীতে সমস্ত এলাকাতেই বেলা সাড়ে ৯টার আগে পথেঘাটে লোকজনের দেখা মেলেনি। সাত সকালে নিতান্তই যাঁরা বেরিয়েছিলেন, তাঁদের আপদমস্তক গরম পোশাকে ঢাকা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকে বাজারহাটের ভিড়ও অনেক কম। বিশেষত গ্রামাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা সাতটার পর থেকেই দোকানপাট বন্ধ করতে শুরু করে দিচ্ছেন। শীতের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই পুরুলিয়া শহরের সাহেববাঁধ এলাকায় কম দেখা যাচ্ছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের।
পুরুলিয়া বাস স্ট্যান্ডের এক চালক বলেন, শীত যতই পড়ুক না কেন, প্রতিদিন ভোর সাড়ে চারটেয় বাস নিয়ে বেরতে হয়। ভোরের দিকে ঠান্ডায় বাস চালানো যায় না। ঠান্ডায় হাত জমে যায়। তাও কাজে ফাঁকি দেওয়ার উপায় নেই! এদিন সকালের দিকে পুরুলিয়ায় ট্রেনে-বাসে সেভাবে যাত্রী ছিল না। এদিন বাজারে দেশি মাছের জোগানও ছিল কম। মাছ ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, প্রচণ্ড শীতের কারণে পুকুর কিংবা জলাশয়ে নেমে মাছ ধরতে চাইছেন না জেলেরা। তবে চালানি মাছের জোগান একই ছিল। হাড়হিম করা শীত থেকে বাঁচতে এদিন দুপুরেও মানুষকে আগুন পোহাতে দেখা যায় পুরুলিয়ায়।
ঠান্ডায় জমিয়ে পিকনিক করতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। পয়লা জানুয়ারির তুলনায় ভিড় কম থাকলেও এদিনও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পিকনিকে মাততে দেখা গিয়েছে মানুষকে। এই সময়ে জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রই হাউসফুল। আগামী শনি ও রবিবার ছুটি থাকায় ওই দু’ দিন ফের ভিড় উপচে পড়বে বলে আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের।



