নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: দুয়ারে উপ নির্বাচন। মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় প্রচারে গিয়ে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্যের দিক তুলে ধরছে তৃণমূল। বিভিন্ন এলাকায় পথসভা, কর্মী বৈঠকেও মানুষের সামনে জনমুখী উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে। তবে বিরোধীরা ইস্যু না পেয়ে এখনও পর্যন্ত আর জি কর নিয়েই পড়ে রয়েছেন। তাঁদের প্রচারে বারবার নারী সুরক্ষা সহ একাধিক দিক উঠে আসছে। তৃণমূল নেতৃত্ব জানাচ্ছে, আর জি কর কাণ্ড নিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা রাস্তায় নেমেছেন। বিচার চায় সকলেই। তবে ভোটের প্রচারে রাজ্য সরকারের জনমুখী বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্যের কাহিনী সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির কথা সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।
Advertisement
এদিন তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে গিয়ে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধার কথা মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। কারণ প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। প্রচারে সেটাই আমাদের অনেকটা এগিয়ে রাখছে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেকেই ভেবেছিল ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। সেই সময় দিল্লি থেকে বিজেপির প্রথম সারির নেতারা মাঝে মধ্যেই রাজ্য পরিদর্শনে আসতেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে একের পর এক জনমুখী প্রকল্প বিজেপির স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয়। তাই উনিশ সালের লোকসভা ভোটের পর থেকে আর ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। অন্যতম কারণ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী সহ একাধিক প্রকল্প। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচারেও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধার কথা তুলে ভালো ফল করেছিল তৃণমূল। তাই উপনির্বাচনেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাইছে জেলা নেতৃত্ব।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গ্রামের মানুষ আগে এত প্রকল্পের সুবিধা পেতেন না। এখন সব বাড়িতেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া জঙ্গলমহলে রেশন ব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো হয়েছে। তবে আর জি কর নিয়ে শহরে প্রভাব পড়তে পারে, গ্রামীণ এলাকায় কোনও প্রভাব পড়বে না।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, প্রতিটা ভোটে সরকারি প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরা হয়। এতে আমাদের ভোটও আগের তুলনায় বেড়েছে। বরং বিরোধীদের বলার কোনও জায়গা থাকে না। ভোটের অঙ্কে এগিয়ে থাকার অন্যতম আরেকটি কারণ দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। বিরোধীদের কথা আর কেউ শুনছে না। বিরোধীরা মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রচারে এনে ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তাতে কোনও লাভ হবে না।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, জোর কদমে প্রচার করছেন বিজেপি প্রার্থী। স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোট হলে একটাও ভোট পাবে না তৃণমূল। পুরসভা এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছেন। এবার তৃণমূলের হার কেউ আটকাতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেকেই ভেবেছিল ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। সেই সময় দিল্লি থেকে বিজেপির প্রথম সারির নেতারা মাঝে মধ্যেই রাজ্য পরিদর্শনে আসতেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে একের পর এক জনমুখী প্রকল্প বিজেপির স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয়। তাই উনিশ সালের লোকসভা ভোটের পর থেকে আর ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। অন্যতম কারণ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী সহ একাধিক প্রকল্প। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচারেও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধার কথা তুলে ভালো ফল করেছিল তৃণমূল। তাই উপনির্বাচনেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাইছে জেলা নেতৃত্ব।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গ্রামের মানুষ আগে এত প্রকল্পের সুবিধা পেতেন না। এখন সব বাড়িতেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া জঙ্গলমহলে রেশন ব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো হয়েছে। তবে আর জি কর নিয়ে শহরে প্রভাব পড়তে পারে, গ্রামীণ এলাকায় কোনও প্রভাব পড়বে না।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, প্রতিটা ভোটে সরকারি প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরা হয়। এতে আমাদের ভোটও আগের তুলনায় বেড়েছে। বরং বিরোধীদের বলার কোনও জায়গা থাকে না। ভোটের অঙ্কে এগিয়ে থাকার অন্যতম আরেকটি কারণ দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। বিরোধীদের কথা আর কেউ শুনছে না। বিরোধীরা মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রচারে এনে ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তাতে কোনও লাভ হবে না।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, জোর কদমে প্রচার করছেন বিজেপি প্রার্থী। স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোট হলে একটাও ভোট পাবে না তৃণমূল। পুরসভা এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছেন। এবার তৃণমূলের হার কেউ আটকাতে পারবে না।



