নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: গ্রামীণ এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ আবাস যোজনার বাড়ি পাননি। উপ নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে আবাস যোজনা নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়কে। তাই ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপি প্রার্থীও চাইছেন আবাস যোজনা নিয়ে বিশেষ মনিটরিং করা হোক। উচ্চ নেতৃত্বকে সে কথা বলবেন তিনি। এনিয়ে চরমে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। অপরদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার জেরে জেলাজুড়ে ৩ লক্ষের বেশি মানুষ বাড়ি পাননি। বন্যা পরিস্থিতি ও ডানা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কয়েক হাজার আবাস বঞ্চিত পরিবার ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বদলে বাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Advertisement
মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, প্রচারে গিয়ে অনেক জায়গাতেই মানুষ বাড়ি না পাওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন করেছেন। তৃণমূল মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। আসলে আবাস নিয়ে নানা এলাকায় দুর্নীতি হয়েছে। উচ্চ নেতৃত্বকে বলব, অবশ্যই বিশেষ অবজার্ভার দিয়ে মনিটরিং করতে। তবে সাধারণ মানুষ বাড়ি পাবেন। তৃণমূল মিথ্যে প্রচার করে আর ভোট আদায় করতে পারবে না। গ্রামীণ এলাকার মানুষ আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।
প্রসঙ্গত, আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানা চলছে। আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আবাস যোজনার টাকা আটকে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন গোটা রাজ্যের কয়েক লক্ষ মানুষ। তবে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে সার্ভের কাজও শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকার চাইছে, স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের মাথার উপর ছাদ তৈরি করতে। শুধু মেদিনীপুর জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কয়েক লক্ষ মানুষ বাড়ি পাবেন। জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের সময়েও গ্রামীণ এলাকার মানুষ আবাস নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিজেপি প্রার্থীদের বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। ভোটের ফলাফলেও তার প্রভাব পড়েছে। বিজেপি একটিও নির্বাচনে গ্রামীণ এলাকা থেকে ভালো ফল করতে পারেনি। তাই বিজেপি নেতাকর্মীরাও চাইছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবাস সমস্যার সমাধান হোক।
এক বিজেপি নেতা বলেন, আবাস নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। যেটা প্রতিটা নির্বাচনে কাজে লাগাচ্ছে তৃণমূল। প্রার্থী গেলেও তাঁকে জিজ্ঞাসা করছেন সাধারণ মানুষ। এতে অস্বস্তি বাড়ছে। সাধারণ মানুষ ভাবছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ সমস্ত প্রকল্প দিচ্ছে রাজ্য সরকার। আর কেন্দ্রীয় সরকার বাড়ি দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এনিয়ে ভাবা উচিত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাড়ির সমস্যার সমাধান না করলে গ্রামীণ এলাকায় আরও পিছিয়ে যাবে বিজেপি।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, বিজেপি ভোটে শুধু টাকা খরচ করতে জানে। মানুষের পালস্ বোঝা খুব সহজ বিষয় নয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গ্রামীণ এলাকার মানুষ এবছরের শেষ থেকেই বাড়ি তৈরির টাকা পাবেন। এতে আমাদের ভিত আরও মজবুত হবে।
এদিন কথা হচ্ছিল মেদিনীপুর বিধানসভার নব নির্বাচিত বিধায়ক সুজয় হাজরার সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার একটাই প্রশ্ন, বিজেপি মানুষের জন্য কী করেছে। শুধু মিথ্যে দোহাই দিয়ে মানুষের বাড়ি তৈরির টাকা আটকে রাখা হয়েছে। এতে বাংলার মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও যোগ্য জবাব পাবে বিজেপি। কারণ বাড়ি দেবেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানা চলছে। আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আবাস যোজনার টাকা আটকে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন গোটা রাজ্যের কয়েক লক্ষ মানুষ। তবে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে সার্ভের কাজও শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকার চাইছে, স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের মাথার উপর ছাদ তৈরি করতে। শুধু মেদিনীপুর জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কয়েক লক্ষ মানুষ বাড়ি পাবেন। জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের সময়েও গ্রামীণ এলাকার মানুষ আবাস নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিজেপি প্রার্থীদের বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। ভোটের ফলাফলেও তার প্রভাব পড়েছে। বিজেপি একটিও নির্বাচনে গ্রামীণ এলাকা থেকে ভালো ফল করতে পারেনি। তাই বিজেপি নেতাকর্মীরাও চাইছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবাস সমস্যার সমাধান হোক।
এক বিজেপি নেতা বলেন, আবাস নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। যেটা প্রতিটা নির্বাচনে কাজে লাগাচ্ছে তৃণমূল। প্রার্থী গেলেও তাঁকে জিজ্ঞাসা করছেন সাধারণ মানুষ। এতে অস্বস্তি বাড়ছে। সাধারণ মানুষ ভাবছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ সমস্ত প্রকল্প দিচ্ছে রাজ্য সরকার। আর কেন্দ্রীয় সরকার বাড়ি দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এনিয়ে ভাবা উচিত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাড়ির সমস্যার সমাধান না করলে গ্রামীণ এলাকায় আরও পিছিয়ে যাবে বিজেপি।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, বিজেপি ভোটে শুধু টাকা খরচ করতে জানে। মানুষের পালস্ বোঝা খুব সহজ বিষয় নয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গ্রামীণ এলাকার মানুষ এবছরের শেষ থেকেই বাড়ি তৈরির টাকা পাবেন। এতে আমাদের ভিত আরও মজবুত হবে।
এদিন কথা হচ্ছিল মেদিনীপুর বিধানসভার নব নির্বাচিত বিধায়ক সুজয় হাজরার সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার একটাই প্রশ্ন, বিজেপি মানুষের জন্য কী করেছে। শুধু মিথ্যে দোহাই দিয়ে মানুষের বাড়ি তৈরির টাকা আটকে রাখা হয়েছে। এতে বাংলার মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও যোগ্য জবাব পাবে বিজেপি। কারণ বাড়ি দেবেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



