সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নিতুড়িয়ার পঞ্চকোট কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে সন্তোষী দত্ত বাউরিকে চান না। এমনই অভিযোগ তুলে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেন শতাধিক পড়ুয়া। তাঁরা পরিচালন সমিতির সভাপতির পরিবর্তন চেয়ে সরব হয়েছেন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, নিতুড়িয়া থানার পুলিস ও আবগারি দপ্তর সরবড়ি গ্রামের কাছে সম্প্রতি একটি নকল মদ তৈরির কারখানার হদিশ পায়। প্রাচীর ঘেরা ওই কারখানা থেকে বিভিন্ন নামী কোম্পানির ৭৫ হাজার বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার হয়। এছাড়াও প্রচুর মদ তৈরির কাঁচামাল ও সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যে জায়গায় ওই কারখানাটি রয়েছে, সেটি প্রাক্তন বিধায়কের স্ত্রী তথা জেলা পরিষদ সদস্য সন্তোষী দত্ত বাউরির নামে রয়েছে।
কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে সন্তোষীদেবীকে পঞ্চকোট কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী পড়ুয়া সোমা রায়, বিট্টু দে, সন্দীপ টুডু বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি সন্তোষীদেবীর বাড়ির কাছে তাঁর নিজস্ব জায়গায় বিশাল একটি নকল মদের কারখানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পুলিসি অভিযানে লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ নকল বিদেশি মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অথচ উচ্চশিক্ষা দপ্তর তাঁকেই পরিচালন সমিতির সভাপতি আসনে বসাতে চাইছে। তিনি ওই পদের দায়িত্ব পেলে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হবে। উচ্চশিক্ষা দপ্তর কোনওভাবেই আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে পারে না। তাই আমরা বিষয়টি অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
যদিও সন্তোষীদেবী বলেন, মদের কারখানার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। নকল মদের কারখানার জায়গাটি আমার নামে আছে ঠিকই। তবে গতবছর জুলাই মাসে এক ব্যক্তিকে ব্যবসা করার জন্য ৫ ডেসিমল জায়গা ভাড়া দিয়েছিলাম। সেখানে আমার একটি জলের কারখানা ছিল। কথা হয়েছিল বন্ধ কারখানাটি খুলে জলের বোতল প্যাকেজিং করবে। যাকে ভাড়া দিয়েছিলাম সে আবার অন্য এক ব্যক্তিকে কাজের দায়িত্ব দিয়েছিল। নিজের স্কুলের চাকরি, রাজনীতি, নিজেদের ব্যবসা নিয়ে সারাদিন ব্যস্ত থাকি। ফলে ভাড়া দেওয়া ওই জায়গায় নকল মদ তৈরি হচ্ছে বলে জানতাম না। ওই জায়গার পাশেই আমার পেট্রল পাম্প আছে। মদের মতো দাহ্য পদার্থ পেট্রল পাম্পের সামনে থাকাটা কতটা বিপজ্জনক তা সবারই জানা আছে। কেউ কি নিজের বিপদ ডেকে আনবে?
তিনি আরও বলেন, কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে আমার নাম এসেছে। কিন্তু, কলেজের অধ্যক্ষ নানা অজুহাত দেখিয়ে এখনও পর্যন্ত দায়িত্ব দেননি। আমার বিরুদ্ধে পড়ুয়ারা কী অভিযোগ করেছে জানা নেই।
কলেজে অধ্যক্ষ সপ্তর্ষি চক্রবর্তী বলেন, পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম এসেছে। উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে চিঠি এলেও আমি নিজে আইনিভাবে সেটা অনুমোদন করিনি। সভাপতি হিসেবে অনুমোদন করিনি বলেই উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও কলেজের মান বেঁচেছে। ছাত্রছাত্রীরা কলেজের সভাপতি বদলের একটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে। বিষয়টি উচ্চ শিক্ষা দপ্তরে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে সন্তোষীদেবীকে পঞ্চকোট কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী পড়ুয়া সোমা রায়, বিট্টু দে, সন্দীপ টুডু বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি সন্তোষীদেবীর বাড়ির কাছে তাঁর নিজস্ব জায়গায় বিশাল একটি নকল মদের কারখানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পুলিসি অভিযানে লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ নকল বিদেশি মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অথচ উচ্চশিক্ষা দপ্তর তাঁকেই পরিচালন সমিতির সভাপতি আসনে বসাতে চাইছে। তিনি ওই পদের দায়িত্ব পেলে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হবে। উচ্চশিক্ষা দপ্তর কোনওভাবেই আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে পারে না। তাই আমরা বিষয়টি অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
যদিও সন্তোষীদেবী বলেন, মদের কারখানার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। নকল মদের কারখানার জায়গাটি আমার নামে আছে ঠিকই। তবে গতবছর জুলাই মাসে এক ব্যক্তিকে ব্যবসা করার জন্য ৫ ডেসিমল জায়গা ভাড়া দিয়েছিলাম। সেখানে আমার একটি জলের কারখানা ছিল। কথা হয়েছিল বন্ধ কারখানাটি খুলে জলের বোতল প্যাকেজিং করবে। যাকে ভাড়া দিয়েছিলাম সে আবার অন্য এক ব্যক্তিকে কাজের দায়িত্ব দিয়েছিল। নিজের স্কুলের চাকরি, রাজনীতি, নিজেদের ব্যবসা নিয়ে সারাদিন ব্যস্ত থাকি। ফলে ভাড়া দেওয়া ওই জায়গায় নকল মদ তৈরি হচ্ছে বলে জানতাম না। ওই জায়গার পাশেই আমার পেট্রল পাম্প আছে। মদের মতো দাহ্য পদার্থ পেট্রল পাম্পের সামনে থাকাটা কতটা বিপজ্জনক তা সবারই জানা আছে। কেউ কি নিজের বিপদ ডেকে আনবে?
তিনি আরও বলেন, কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে আমার নাম এসেছে। কিন্তু, কলেজের অধ্যক্ষ নানা অজুহাত দেখিয়ে এখনও পর্যন্ত দায়িত্ব দেননি। আমার বিরুদ্ধে পড়ুয়ারা কী অভিযোগ করেছে জানা নেই।
কলেজে অধ্যক্ষ সপ্তর্ষি চক্রবর্তী বলেন, পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম এসেছে। উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে চিঠি এলেও আমি নিজে আইনিভাবে সেটা অনুমোদন করিনি। সভাপতি হিসেবে অনুমোদন করিনি বলেই উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও কলেজের মান বেঁচেছে। ছাত্রছাত্রীরা কলেজের সভাপতি বদলের একটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে। বিষয়টি উচ্চ শিক্ষা দপ্তরে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।



