সংবাদদাতা, কাটোয়া: পূর্বস্থলীতে এবার অনলাইনেও বিক্রি হচ্ছে মরশুমি ফুলের চারা। নার্সারিগুলি থেকে বিশেষ প্যাকিং করে ক্যুরিয়ারে পাঠানো হচ্ছে সেই চারা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোবাইলের মাধ্যমে অর্ডার দিলেই মিলছে চারা গাছ।
Advertisement
দু’বছর আগে থেকেই পূর্বস্থলীর নার্সারিগুলি থেকে অনলাইনের মাধ্যমে চারা গাছ বিক্রি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এবার শীতের মরশুমে চাহিদা বেড়েছে। উত্তরপ্রদেশের লখনউ, দিল্লি, ঝাড়খণ্ড রাজ্য থেকেও অনলাইনে অর্ডার আসছে। নার্সারি মালিকরাও জোগান দিচ্ছেন ক্রেতার পছন্দমতো ফুলের চারা। জারবেরা, সূর্যমুখী, চন্দ্রমল্লিকা, গাঁদা, টগর, ক্যালেন্ডুলা, গোলাপ প্যাকেট বন্দি হয়ে চলে যাচ্ছে। আগামী দিনে অনলাইন শপিং অ্যাপগুলি থেকেও পাওয়া যাবে পূর্বস্থলীর নার্সারি ফুলের চারা গাছ। পূর্বস্থলীজুড়ে নার্সারি ছড়িয়ে রয়েছে। প্রায় দেড়শোর কাছাকাছি নার্সারি রয়েছে এখানে। কয়েক হাজার পরিবার নার্সারি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে। বহু বেকার যুবক নার্সারিগুলি থেকে মরশুমি ফুলের চারা বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাই দেয়। সুতরাং নার্সারি শিল্প এখানকার বাসিন্দাদের একটা বড় অংশের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটাচ্ছে।
নার্সারি মালিক অসিতকুমার শিকদার বলেন, আগে ক্রেতারা ভিড় করতেন এখানে। তাঁরা নিজেরা সব চারা নিয়ে যেতেন। এখন তাঁরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার দিচ্ছেন। আমরা সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মরশুমি ফুলের চারা গাছের ছবি দিই। সেখানেই আমাদের যোগাযোগ নম্বরও দেওয়া থাকে। ক্রেতারা আমাদের জানালেই প্যাকিং করে পাঠিয়ে দিই। আরেক নার্সারি মালিক রতন ঘোষাল বলেন, দু’বছর আগেই অনলাইন ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল। এখন তা রমরম করে চলছে।
নার্সারিগুলো থেকেই ফুলের চারা নিয়ে গিয়ে আবার জমিতেও চাষ করা হয়। বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল, শহর থেকেও ক্রেতারা নিজের জমিতে ফুল চাষ করেন। পূর্ব বর্ধমান জেলার উদ্যান পালন দপ্তরের অফিসার সুদীপ ভকত বলেন, এটা খুব ভালো উদ্যোগ। আমাদের সরকারিভাবে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তাতে পূর্বস্থলীর নার্সারিগুলিকে এক ছাতার তলায় এনে অনলাইন মাধ্যম চালু করা যেত। কিন্তু সেই প্রকল্প বেশি দূর এগয়নি। নার্সারি মালিক অসিতকুমার শিকদার বলেন, আগে ক্রেতারা ভিড় করতেন এখানে। তাঁরা নিজেরা সব চারা নিয়ে যেতেন। এখন তাঁরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার দিচ্ছেন। আমরা সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মরশুমি ফুলের চারা গাছের ছবি দিই। সেখানেই আমাদের যোগাযোগ নম্বরও দেওয়া থাকে। ক্রেতারা আমাদের জানালেই প্যাকিং করে পাঠিয়ে দিই। আরেক নার্সারি মালিক রতন ঘোষাল বলেন, দু’বছর আগেই অনলাইন ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল। এখন তা রমরম করে চলছে।



