সংবাদদাতা, কাটোয়া: পূর্বস্থলীর হালদিপাড়া, ঘূর্ণি এলাকায় খড়ি নদীর পাড় সংস্কারে সেচদপ্তর উদ্যোগী হয়েছে। বর্ষায় জল বাড়লেই ওই সমস্ত গ্রামে পাড়ভাঙন দেখা দেয়। তার জেরে রাস্তাও ভেঙে গিয়েছে। বাড়িঘর ভাঙনের মুখে পড়ায় বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। সেজন্য এবার শালবল্লা দিয়ে নদীর পাড় বরাবর সংস্কার শুরু করেছে সেচদপ্তর।
Advertisement
পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, খড়ি নদীর পাড়ে ভাঙন হচ্ছিল। তাই সেচদপ্তর শালবল্লা দিয়ে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে। এরপর আমরা নদীর পাড়ের ভেঙে যাওয়া রাস্তা সংস্কার করে দেব।
দু’মাস আগেই বৃষ্টিতে নদীর জল বেড়ে হালদিপাড়া গ্রামে পাড়ভাঙন দেখা দিয়েছিল। তার জেরে ঢালাই রাস্তা ভেঙে গিয়েছিল। তার আগে থেকেই ওই রাস্তায় ধস নেমেছিল। রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। এতে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। অবিলম্বে খড়ি নদীর ভাঙন মোকাবিলার ব্যবস্থা না করা হলে রাস্তার পাশাপাশি বাড়িঘরও বাঁচানো যাবে না বলে তাঁরা জানিয়েছিলেন।
পূর্বস্থলী-২ ব্লকের মুকশিমপাড়া পঞ্চায়েতের হালদিপাড়া গ্রামের পাশ দিয়েই খড়ি নদী বয়ে গিয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জলাধার থেকে ছাড়া জলে এই নদীতে প্লাবন দেখা দিয়েছিল। বাড়িতে জল ঢুকে পড়ায় এলাকার মানুষ আতান্তরে পড়েছিলেন। জল নামতেই খড়ি নদীর পাড়জুড়ে ভাঙন শুরু হয়। নদীর পাড়ের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় ধস নামতে শুরু করে। হালদিপাড়ার দাসপাড়া এলাকায় মাত্র একবছর আগেই ঢালাই রাস্তা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় পঞ্চায়েত জানিয়েছে, খড়ি নদীতে জল বেড়ে যাওয়ায় ওই রাস্তায় জল জমে ছিল। তার ফলে মাটি ধসেই রাস্তাটি ভেঙে গিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার মাঝে অনেকটা নদীর গ্রাসে গিয়েছে। পা পিছলে গেলেই একেবারে নদীতে পড়ে যেতে হবে। অথচ এই রাস্তা দিয়ে এলাকার ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায়। অবশেষে নদীর পাড় সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।
দু’মাস আগেই বৃষ্টিতে নদীর জল বেড়ে হালদিপাড়া গ্রামে পাড়ভাঙন দেখা দিয়েছিল। তার জেরে ঢালাই রাস্তা ভেঙে গিয়েছিল। তার আগে থেকেই ওই রাস্তায় ধস নেমেছিল। রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। এতে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। অবিলম্বে খড়ি নদীর ভাঙন মোকাবিলার ব্যবস্থা না করা হলে রাস্তার পাশাপাশি বাড়িঘরও বাঁচানো যাবে না বলে তাঁরা জানিয়েছিলেন।
পূর্বস্থলী-২ ব্লকের মুকশিমপাড়া পঞ্চায়েতের হালদিপাড়া গ্রামের পাশ দিয়েই খড়ি নদী বয়ে গিয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জলাধার থেকে ছাড়া জলে এই নদীতে প্লাবন দেখা দিয়েছিল। বাড়িতে জল ঢুকে পড়ায় এলাকার মানুষ আতান্তরে পড়েছিলেন। জল নামতেই খড়ি নদীর পাড়জুড়ে ভাঙন শুরু হয়। নদীর পাড়ের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় ধস নামতে শুরু করে। হালদিপাড়ার দাসপাড়া এলাকায় মাত্র একবছর আগেই ঢালাই রাস্তা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় পঞ্চায়েত জানিয়েছে, খড়ি নদীতে জল বেড়ে যাওয়ায় ওই রাস্তায় জল জমে ছিল। তার ফলে মাটি ধসেই রাস্তাটি ভেঙে গিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার মাঝে অনেকটা নদীর গ্রাসে গিয়েছে। পা পিছলে গেলেই একেবারে নদীতে পড়ে যেতে হবে। অথচ এই রাস্তা দিয়ে এলাকার ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায়। অবশেষে নদীর পাড় সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।



