সংবাদদাতা, কাটোয়া: পূর্বস্থলীর তাঁতের শাড়ি এবার বিক্রি হবে অনলাইনেও! ফলে বাংলার তাঁতিদের হাতে বোনা শাড়ি এবার বিশ্বের দরবারে কদর পাবে। এজন্য দু’টি বড় অনলাইন বিপণন সংস্থার সঙ্গে কালনা মহকুমা প্রশাসন কথা বলবে। তাঁতিদের দু’টি সংস্থার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করানো হবে। কালনার মহকুমা শাসক শুভম আগরওয়াল বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে দু’টি অনলাইন বিপণন সংস্থাকে ডেকেছি। তাদের সঙ্গে বৈঠক করব। তারপর তাঁতিদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করানো হবে। এতে পূর্বস্থলীর শাড়ি বিশ্বজুড়ে কদর পাবে। তাঁতিদের দুরবস্থা নিয়ে অনেকেই এর আগে সরব হয়েছেন। হস্তচালিত তাঁতের শিল্পীদের বিপণনের সমস্যা রয়েছে। তবে প্রতিবছর সরকারিভাবে তাঁতিদের থেকে শাড়ি কেনা হয়। এছাড়া, এখন তাঁরা অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনলাইনে জামদানি শাড়ি, স্কার্ফ প্রভৃতি দেশে ও বিদেশে বিক্রি করেন। মহকুমা প্রশাসন চাইছে, এবার সমস্ত তাঁতি অনলাইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হোন। তাহলে তাঁরা সবাই নিজেদের বোনা তাঁতের শাড়ি বিদেশেও পাঠাতে পারবেন।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলার একটা বড় অংশের মানুষ তাঁতশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। জেলায় প্রায় ৭৪ হাজার তাঁতশিল্পী রয়েছেন। কাটোয়া ও কালনা মহকুমাতেই সবচেয়ে বেশি মানুষ তাঁতশিল্পের কাজে যুক্ত। তবে পূর্বস্থলীকেই জেলার তাঁতবলয় বলা হয়। কালনা মহকুমার ধাত্রীগ্রাম ও শ্রীরামপুরের তাঁতের হাটের মতো কাটোয়া শহরেও হাট তৈরি হবে। এজন্য আরএমসি জায়গা দিচ্ছে। ১৫ হাজার বর্গফুট জায়গায় হাট তৈরি হবে। সেখানে ৩০টি স্টল থাকবে। ১০০জন তাঁতশিল্পী বসে ব্যবসা করতে পারবেন।
কাটোয়ার ঘোড়ানাশ, মুস্থলী, কেতুগ্রামের বেণীনগর, নিরোল প্রভৃতি এলাকার তাঁতবস্ত্রও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। কেতুগ্রামের বেণীনগরে মুর্শিদাবাদ থেকে সুতো আসে। নিরোলে সূতোর রঙ করা হয়। এখন তাঁতের কাপড়ে ভেষজ রং দেওয়া হচ্ছে। নিরোলে যাতে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে রং করা যায়, সেজন্য সেখানকার শিল্পীদের বিশেষ যন্ত্র দেওয়া হবে। এসব অঞ্চলে প্রায় ৪৪হাজার তাঁতশিল্পী রয়েছেন। মহকুমায় ৩০টি তাঁত সমবায় ও আটটি ক্লাস্টার রয়েছে। এর মধ্যে চারটি সমবায়ের মাধ্যমে আটটি ক্লাস্টারই প্রতিবছর তন্তুজকে তাঁতবস্ত্র বিক্রি করে। কাটোয়ায় তাঁতশিল্পীদের জন্য প্রায় ১১৬৬টি ওয়ার্ক শেড তৈরি করেছে রাজ্য সরকার।
কাটোয়ার ঘোড়ানাশ, মুস্থলী, কেতুগ্রামের বেণীনগর, নিরোল প্রভৃতি এলাকার তাঁতবস্ত্রও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। কেতুগ্রামের বেণীনগরে মুর্শিদাবাদ থেকে সুতো আসে। নিরোলে সূতোর রঙ করা হয়। এখন তাঁতের কাপড়ে ভেষজ রং দেওয়া হচ্ছে। নিরোলে যাতে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে রং করা যায়, সেজন্য সেখানকার শিল্পীদের বিশেষ যন্ত্র দেওয়া হবে। এসব অঞ্চলে প্রায় ৪৪হাজার তাঁতশিল্পী রয়েছেন। মহকুমায় ৩০টি তাঁত সমবায় ও আটটি ক্লাস্টার রয়েছে। এর মধ্যে চারটি সমবায়ের মাধ্যমে আটটি ক্লাস্টারই প্রতিবছর তন্তুজকে তাঁতবস্ত্র বিক্রি করে। কাটোয়ায় তাঁতশিল্পীদের জন্য প্রায় ১১৬৬টি ওয়ার্ক শেড তৈরি করেছে রাজ্য সরকার।



