নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: প্রবেশমূল্য নেওয়া বন্ধ হওয়ার পর কুলিক পক্ষীনিবাসে ভিড় সামলাতে হিমশিম বনকর্মীরা। তবে, সাধারণ পর্যটকদের পাশাপাশি সন্দেহজনক কেউ ঢুকে যেতে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকে সম্প্রতি ভিজিটর্স বুক চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। কতজন আসছেন, পুরুষ ও মহিলা ক’জন, সবকিছুই নথিভুক্ত করা হচ্ছে ভিজিটর্স বুকে। পক্ষীনিবাসে ঢোকার মুখে নাম, ফোন নম্বর ওই ভিজিটর্স বুকে লিখতে হচ্ছে পর্যটকদের। সন্দেহ হলে বনকর্মীরা পর্যটকদের বিভিন্ন সামগ্রী, ব্যাগপত্র প্রবেশদ্বারের কাছে রেখে তারপর ঢোকার ব্যবস্থা করছেন। একইসঙ্গে নিরাপত্তার কারণে প্রবেশদ্বারে বসানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা।
Advertisement
গত মাসে আলিপুরদুয়ার সফর চলাকালীন বনাঞ্চলে পর্যটকদের থেকে আকাশছোঁয়া ফি আদায় নিয়ে বনদপ্তরের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর কুলিক পক্ষীনিবাসে প্রবেশমূল্য নেওয়া বন্ধ করে রায়গঞ্জ বনবিভাগ। এতেই কয়েকগুণ বেড়ে যায় পর্যটকদের সংখ্যা। বনদপ্তরের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগে প্রতিদিন টিকিট কেটে পক্ষীনিবাসে আসতেন গড়ে ১০০ জন। এখন সেখানে রোজ গড়ে পাঁচশো জন আসছেন। ফলে ভিড়ের ঠেলায় হিমশিম অবস্থা বনকর্মীদের। এমন পরিস্থিতিতে যাতে পক্ষীনিবাসের সুরক্ষাবিধি লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে নজর দিয়েছে বনদপ্তর। মঙ্গলবার রায়গঞ্জের ডিএফও ভূপেন বিশ্বকর্মা বলেন, কুলিকের নিরাপত্তার স্বার্থে পক্ষীনিবাসে প্রবেশের আগে পর্যটকদের নাম নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ভিজিটর্স বুক রাখা হয়েছে প্রবেশপথে। সম্প্রতি সেখানে একটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাও বসানো হয়েছে। ছুটির দিনে পর্যটক সংখ্যা বাড়ে বলে পুলিসের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তার জন্য স্থানীয় থানাকেও আমরা চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানিয়েছি।



