সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান এবং শহর সভাপতি পরিবর্তনের জল্পনা চলছিলই। এরই মধ্যে কলকাতায় ছুটলেন পুরুলিয়া শহরের সভাপতি প্রদীপ ডাগা। তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে কলকাতাতে তলব করেছে তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্ব। আচমকা একা শহর সভাপতিকে কেন কলকাতাতে ডাকা হয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে দলের অভ্যন্তরে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে খারাপ ফল হওয়া শহরগুলিতে চেয়ারম্যানের পাশাপাশি দলীয় পদাধিকারীদের পরিবর্তন করা হতে পারে বলে চর্চা চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। কাউন্সিলারদের মধ্যে কেউ কেউ চেয়ারম্যান হতে বা সাংগঠনিক পদ পেতে দলীয়স্তরের বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ শুরু করেছেন। অন্যদিকে পুরুলিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রদীপ ডাগা নিজে একাধিকবার দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। দলকে চিঠিও দিয়েছেন, কিন্তু এখনও অব্যাহতি পাননি। তাই শহর সভাপতি তথা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রদীপ ডাগাকে আচমকা কলকাতায় ডেকে পাঠানো নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
কাউন্সিলারদের একাংশের আবার দাবি, শহর সভাপতি নিজেই নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে কলকাতা গিয়েছেন। তাঁকে কেউ ডেকে পাঠাননি। যদিও প্রদীপবাবু বলেন, দলের এক শীর্ষ নেতার অফিস থেকে কলকাতাতে বুধবারই ডেকে পাঠানো হয়েছে। কী জন্য ডাকা হয়েছে, তা কথা বলার পরই বলতে পারব। তবে কথা বলার সুযোগ হলে পুরুলিয়া শহরের অবস্থার বিষয়ে এবং দলের পরিস্থিতির কথা অবশ্যই জানাব।
প্রদীপবাবু বলেন, শহর সভাপতির পদ থেকে অনেক আগেই ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলাম। এখনও তা গৃহীত হয়নি। তবে এরপরও আমাকে পদে থাকতে হলে কিছু শর্তের কথা দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। দলের নীচু তলার কর্মীরা অনেকে চাইলেও কিছু কাউন্সিলারের সমর্থন পাওয়া যায়নি। চেয়ারম্যান পরিবর্তনের বিষয়ে প্রদীপবাবু বলেন, রাজ্য নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নেবে তা সকলেই মেনে নিতে বাধ্য। তবে পুরুলিয়া শহরে যা অবস্থা তাতে পরিবর্তন করেও লাভ হবে নাকি ক্ষতি হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
শহর সভাপতিকে কলকাতায় তলব করার বিষয়ে পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি বলেন, প্রদীপবাবু কলকাতা গিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে কী কারণে গিয়েছেন, তা জানি না।
কাউন্সিলারদের একাংশের আবার দাবি, শহর সভাপতি নিজেই নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে কলকাতা গিয়েছেন। তাঁকে কেউ ডেকে পাঠাননি। যদিও প্রদীপবাবু বলেন, দলের এক শীর্ষ নেতার অফিস থেকে কলকাতাতে বুধবারই ডেকে পাঠানো হয়েছে। কী জন্য ডাকা হয়েছে, তা কথা বলার পরই বলতে পারব। তবে কথা বলার সুযোগ হলে পুরুলিয়া শহরের অবস্থার বিষয়ে এবং দলের পরিস্থিতির কথা অবশ্যই জানাব।
প্রদীপবাবু বলেন, শহর সভাপতির পদ থেকে অনেক আগেই ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলাম। এখনও তা গৃহীত হয়নি। তবে এরপরও আমাকে পদে থাকতে হলে কিছু শর্তের কথা দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। দলের নীচু তলার কর্মীরা অনেকে চাইলেও কিছু কাউন্সিলারের সমর্থন পাওয়া যায়নি। চেয়ারম্যান পরিবর্তনের বিষয়ে প্রদীপবাবু বলেন, রাজ্য নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নেবে তা সকলেই মেনে নিতে বাধ্য। তবে পুরুলিয়া শহরে যা অবস্থা তাতে পরিবর্তন করেও লাভ হবে নাকি ক্ষতি হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
শহর সভাপতিকে কলকাতায় তলব করার বিষয়ে পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি বলেন, প্রদীপবাবু কলকাতা গিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে কী কারণে গিয়েছেন, তা জানি না।



