নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দলে তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হলেও প্রবীণদের একেবারে গুরুত্বহীন করতে নারাজ কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী চান, লোকসভা ভোটে হেরে গেলেও প্রবীণ নেতানেত্রীদের যেন বসিয়ে না দেওয়া হয়। তাঁদের লাগানো হোক সংগঠনের কাজে। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা আর রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগানো হোক। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সম্প্রতি এক বৈঠকে জানিয়ে দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। সেই মতো রাজ্য হোক বা কেন্দ্রীয় স্তরে প্রবীণদের অনেককেই নানাবিধ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
লোকসভা ভোটে হেরে গেলেও ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলকে এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পাঞ্জাবে সংগঠনের। হরিশ চৌধুরীকে দেওয়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশের ভার। বি কে হরিপ্রসাদকে দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার দায়িত্ব। হরিয়ানা বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা করা হচ্ছে সেই ‘বুড়ো হাড়ে’র ভূপিন্দর হুডাকেই। তাঁর মতো দাপুটে নেতাকে কোনওভাবেই সাইডলাইন করতে নারাজ রাহুল। যদিও হুডাকে সরাতে দলের ওপর চাপ ছিল রণদীপ সুরজেওয়ালা গোষ্ঠীর। ভক্তচরণ দাসকে করা হয়েছে ওড়িশার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। বারাণসী থেকে ভোটে হেরে গেলেও অজয়কুমার লাল্লুকে করা হয়েছে ওড়িশার ইনচার্জ। আবার তরুণ রণজিৎ মুখোপাধ্যায়দের মতো এআইসিসির প্রাক্তন সচিবদেরও দলের কাজে লাগানো হবে।



