নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কারও লক্ষ্য সরকারি চাকরি, আবার কারও মিশন এমবিবিএস। সহজ পথে এই টার্গেট পূরণ কঠিন বুঝতে পেরে জালিয়াতির পথ বেছে নিয়েছিল। বংশপরম্পরায় জেনারেল কাস্ট হওয়া সত্ত্বেও ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেট বানিয়ে ফেলেছিল। নবান্ন থেকে সন্দেহজনক আড়াইশো এসসি কার্ডের লিস্ট আসার পরই ভেরিফিকেশন শুরু করেছিল তমলুক মহকুমা প্রশাসন। আপাতত ২০টি ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেট শনাক্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওইসব সার্টিফিকেট বাতিল করা হবে।
Advertisement
২০২৩ সালে ২০জুলাই তমলুকের মহকুমা শাসক ১০৮টি ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট বাতিল করেছিলেন। তারমধ্যে দু’টি এসটি সার্টিফিকেট, ২২টি এসসি সার্টিফিকেট এবং ৮৪টি ওবিসি সার্টিফিকেট ছিল। ওই মহকুমার বিভিন্ন ব্লক ও দুই পুরসভা এলাকা থেকে আরও আড়াইশো কার্ডের বৈধতা নিয়ে নবান্নে অভিযোগ পৌঁছয়। নবান্ন থেকে সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ভেরিফিকেশনের পর তাঁদের বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়। বেশ কয়েকজনের অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি প্রশাসন। নোটিস পেয়ে অনেকে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের কার্ড বৈধ হলেও অনেকের কাস্ট সার্টিফিকেট ভুয়ো।
মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইতি, জানা, সামন্ত, পড়্যা পদবি থাকা অনেকের এসসি সার্টিফিকেট রয়েছে। এর থেকেই সন্দেহ তৈরি হয়। ওইসব নামের তালিকা ধরে নবান্নে অভিযোগ পৌঁছেছিল। মহকুমা প্রশাসনের তদন্তে দেখা যায়, ভুয়ো নথি দেখিয়ে অনেকে কার্স্ট সার্টিফিকেট বানিয়ে ফেলেছেন। ঠিকমতো যাচাই না হওয়ায় এমনটা হয়েছে। মূলত দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। দ্রুত পরিষেবা দেওয়ার চাপ থাকে। ঠিকমতো যাচাই না হওয়ায় জেনারেল কাস্ট পরিবারের সদস্যরা এসসি সার্টিফিকেট পেয়েছে।
পরিবারের বাবা, কাকার নামে ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট জমা দিয়ে এধরনের জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। সাইবার কাফেতে জেরক্স করার সময় কারচুপি করা হয়েছে। ঠিকমতো যাচাই না করে সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। সাধারণত, অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের ইন্সপেক্টর এবং অ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টররা যাচাইয়ের কাজ করেন। তাঁদের কাজে গাফিলতির জেরে এমনটা হয়েছে। তমলুকের রাসকা মহল দীর্ঘদিন ধরে ভুয়ো এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট ইস্যুর ঘটনায় আন্দোলন করছে। সংগঠনের সভাপতি দেবেন্দ্রনাথ হেমব্রম বলেন, সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় সংরক্ষণের সুযোগ পেতে ইদানীং ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট তৈরির ঘটনা বেড়েছে। যেকারণে সার্টিফিকেট ইস্যু করার আগে যথাযথভাবে চেকিং হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু, সেই কাজে গাফিলতি থাকায় প্রতি বছর ভুয়ো সার্টিফিকেট বের হচ্ছে।
এর আগে তমলুক ব্লকের খামারচক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাস্ট সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনায় এফআইআর করেছিলেন মহকুমা শাসক। জেনারেল কাস্ট হয়েও প্রথমে এসসি এবং পরে এসটি সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন ওই প্রধান শিক্ষক। তাঁর নিজের এবং ছেলেমেয়ের নামে ইস্যু হওয়া ওই ভুয়ো সার্টিফিকেট বাতিল হয়েছিল। মহকুমা শাসক দিব্যেন্দু মজুমদার বলেন, নবান্ন থেকে ২৫০টি কাস্ট সার্টিফিকেটের তালিকা এসেছিল। সেগুলি ভেরিফিকেশন করার পর ২০টি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেগুলি ভুয়ো বলে চিহ্নিত হয়েছে।
মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইতি, জানা, সামন্ত, পড়্যা পদবি থাকা অনেকের এসসি সার্টিফিকেট রয়েছে। এর থেকেই সন্দেহ তৈরি হয়। ওইসব নামের তালিকা ধরে নবান্নে অভিযোগ পৌঁছেছিল। মহকুমা প্রশাসনের তদন্তে দেখা যায়, ভুয়ো নথি দেখিয়ে অনেকে কার্স্ট সার্টিফিকেট বানিয়ে ফেলেছেন। ঠিকমতো যাচাই না হওয়ায় এমনটা হয়েছে। মূলত দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। দ্রুত পরিষেবা দেওয়ার চাপ থাকে। ঠিকমতো যাচাই না হওয়ায় জেনারেল কাস্ট পরিবারের সদস্যরা এসসি সার্টিফিকেট পেয়েছে।
পরিবারের বাবা, কাকার নামে ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট জমা দিয়ে এধরনের জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। সাইবার কাফেতে জেরক্স করার সময় কারচুপি করা হয়েছে। ঠিকমতো যাচাই না করে সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। সাধারণত, অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের ইন্সপেক্টর এবং অ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টররা যাচাইয়ের কাজ করেন। তাঁদের কাজে গাফিলতির জেরে এমনটা হয়েছে। তমলুকের রাসকা মহল দীর্ঘদিন ধরে ভুয়ো এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট ইস্যুর ঘটনায় আন্দোলন করছে। সংগঠনের সভাপতি দেবেন্দ্রনাথ হেমব্রম বলেন, সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় সংরক্ষণের সুযোগ পেতে ইদানীং ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট তৈরির ঘটনা বেড়েছে। যেকারণে সার্টিফিকেট ইস্যু করার আগে যথাযথভাবে চেকিং হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু, সেই কাজে গাফিলতি থাকায় প্রতি বছর ভুয়ো সার্টিফিকেট বের হচ্ছে।
এর আগে তমলুক ব্লকের খামারচক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাস্ট সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনায় এফআইআর করেছিলেন মহকুমা শাসক। জেনারেল কাস্ট হয়েও প্রথমে এসসি এবং পরে এসটি সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন ওই প্রধান শিক্ষক। তাঁর নিজের এবং ছেলেমেয়ের নামে ইস্যু হওয়া ওই ভুয়ো সার্টিফিকেট বাতিল হয়েছিল। মহকুমা শাসক দিব্যেন্দু মজুমদার বলেন, নবান্ন থেকে ২৫০টি কাস্ট সার্টিফিকেটের তালিকা এসেছিল। সেগুলি ভেরিফিকেশন করার পর ২০টি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেগুলি ভুয়ো বলে চিহ্নিত হয়েছে।



