নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের প্রতারিত হওয়া ৮৪জন পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ফের ট্যাবের টাকা পাঠাল রাজ্য সরকার। সোমবার তাদের প্রত্যেকের অ্যকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলায় শুধু একজন ছাত্র টেকনিক্যাল কারণে টাকা পায়নি। তার বাবার অ্যাকাউন্ট নম্বর পোর্টালে আপলোড করা হয়েছিল। সেটি সংশোধন করা হলেই সেও টাকা পেয়ে যাবে। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, ওই পড়ুয়াদের কাছে থেকে নতুন করে অ্যাকাউন্ট নম্বর নেওয়া হয়েছিল। নিশ্চিত হওয়ার পর টাকা পাঠানো হয়েছে। প্রতারণার ঘটনায় পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। পড়ুয়ারা যাতে সমস্যায় না পড়ে সেই কারণে তাদের অ্যাকাউন্টে ফের টাকা পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে যাওয়ার ঘটনায় বেশকিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি যাচাই করা হচ্ছে। তিন-চারদিনের মধ্যে বড় ‘ব্রেক থ্রু’ আসার সম্ভবনা রয়েছে। যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছিল তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। দফায় দফায় জেরা করা হয়েছে। সাইবার অপরাধীরা তাঁদের অ্যাকউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণা করেছে। কিন্তু পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট কীভাবে সাইবার অপরাধীদের কাছে পৌঁছল, সেটা তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে থাকতে পারে বলে পুলিস প্রাথমিকভাবে মনে করছে। আধিকারিকরা স্কুলগুলির কাছে থেকে বিভিন্ন তথ্য নিয়েছে। শিক্ষাদপ্তরের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসবাদ করেছে।
শিক্ষাদপ্তরের এক কর্মী বলেন, যখন যা তথ্য চাওয়া হয়েছে পুলিসকে সেটাই দেওয়া হয়েছে। কীভাবে পোর্টালে নাম আপলোড হয় সেই বিষয়টিও তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়া জেলার কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে পড়ুয়াদের টাকা তোলা হয়েছে। বিভিন্ন স্কুলের ৮৫জন পড়ুয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র হস্তান্তর করা হয়। বর্ধমান শহরের একটি স্কুলের ২৮জনের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র পাঠানো হয়। এছাড়া পূর্বস্থলীর একটি স্কুলের পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট থেকেও টাকা উধাও করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, খুব তাড়াতাড়ি রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে। পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে রাজ্য সরকার ফের টাকা দেওয়ায় খুশি শিক্ষক এবং পড়ুয়ারা। বর্ধমানের সিএমএস স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিন্টু রায় বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। পড়ুয়ারা টাকা পেয়ে উচ্ছ্বসিত। শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা স্কুলে এসে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতারিত হওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছিলেন। অ্যাকাউন্ট নম্বরগুলি যাচাই করার পরই টাকা পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, টেকনিক্যাল কারণে যারা টাকা পায়নি তারাও খুব তাড়াতাড়ি তা পেয়ে যাবে। তাদের কারও অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল দেওয়া রয়েছে। কারও কারও অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেগুলি ঠিক করার পরই টাকা পাবে।
শিক্ষাদপ্তরের এক কর্মী বলেন, যখন যা তথ্য চাওয়া হয়েছে পুলিসকে সেটাই দেওয়া হয়েছে। কীভাবে পোর্টালে নাম আপলোড হয় সেই বিষয়টিও তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়া জেলার কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে পড়ুয়াদের টাকা তোলা হয়েছে। বিভিন্ন স্কুলের ৮৫জন পড়ুয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র হস্তান্তর করা হয়। বর্ধমান শহরের একটি স্কুলের ২৮জনের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র পাঠানো হয়। এছাড়া পূর্বস্থলীর একটি স্কুলের পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট থেকেও টাকা উধাও করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, খুব তাড়াতাড়ি রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে। পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে রাজ্য সরকার ফের টাকা দেওয়ায় খুশি শিক্ষক এবং পড়ুয়ারা। বর্ধমানের সিএমএস স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিন্টু রায় বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। পড়ুয়ারা টাকা পেয়ে উচ্ছ্বসিত। শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা স্কুলে এসে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতারিত হওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছিলেন। অ্যাকাউন্ট নম্বরগুলি যাচাই করার পরই টাকা পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, টেকনিক্যাল কারণে যারা টাকা পায়নি তারাও খুব তাড়াতাড়ি তা পেয়ে যাবে। তাদের কারও অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল দেওয়া রয়েছে। কারও কারও অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেগুলি ঠিক করার পরই টাকা পাবে।



