Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শিয়ালদহ আদালতে গোপন জবানবন্দি প্রসূনের

ট্যাংরার শীল লেনের দে পরিবারের ছোট ছেলে প্রসূন সোমবার আদালতে গোপন জবানবন্দি দিলেন। এদিন দুপুর দুটো নাগাদ তাঁকে জেল থেকে শিয়ালদহ আদালতে আনা হয়।

শিয়ালদহ আদালতে গোপন জবানবন্দি প্রসূনের
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্যাংরার শীল লেনের দে পরিবারের ছোট ছেলে প্রসূন সোমবার আদালতে গোপন জবানবন্দি দিলেন। এদিন দুপুর দুটো নাগাদ তাঁকে জেল থেকে শিয়ালদহ আদালতে আনা হয়। দুদিন তাঁকে আলাদা রাখা হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দীর্ঘ  সময়  নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। তবে সেখানে তিনি কী জানালেন, তাই নিয়ে কৌতূহল চরমে। 

Advertisement

গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে প্রসূন জানিয়েছিলেন, তিনি দোষ কবুল করতে চান। এরজন্য গোপন জবানবন্দি দিতে রাজি। তাঁর চোখেমুখে ধরা পড়েছিল, কৃতকর্মের জন্য তিনি ঠিক কতটা অনুতপ্ত। আদালত বারবার জানতে চেয়েছিল, তিনি যা বয়ানে বলছেন, তা কারও চাপে বলেননি তো? কেউ তাঁকে প্রভাবিত করেনি তো? প্রসূন ঘাড় নেড়ে জানিয়েছিলেন, না। দে পরিবারের ছোট ছেলে পুলিসকে বারবার বলে এসেছেন, তিনিই খুন করেছেন মেয়ে, স্ত্রী রোমি ও বৌদি সুদেষ্ণাকে। মেয়েকে খুন করার পর স্ত্রী ও বৌদির হাতের শিরা কেটে দেন। সেই সঙ্গে এও জানিয়েছিলেন, রোমির শিরা কাটার সময় চিৎকার শুনে পাশের ঘর থেকে এসেছিলেন বৌদি সুদেষ্ণা।  কয়েক মিনিট থাকার পর বৌদি চলে গিয়েছিলেন নিজের ঘরে। এরপর তাঁর ঘরে ঢুকেছিলেন। তিনজনকে খুনের পর উপরে ওঠে নিজের হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।  এমনকী ভাইপোকে খুনের চেষ্টা করেছিলেন বালিশ চাপা দিয়ে। তদন্তকারীদের প্রসূন এও জানান, তিনজনকে খুনের পর তিনি, তাঁর দাদা ও ভাইপো আত্মহত্যা করতে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। প্রথমে ঠিক করেন কোনও ব্রিজ থেকে গাড়ি নিয়ে ঝাঁপ দেবেন। কিন্তু সেতুতে গাড়ি আটকে গেলে বিপদ হতে পারে। তাই পরিকল্পনা বদলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লরি বা ছোট গাড়িতে ধাক্কা মারবেন। কিন্তু সেখানে বাইরের লোকের প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকায়, সেটি বাতিল করে, ধাক্কা মারেন মেট্রো রেলের পিলারে। এই সমস্ত বিষয়ই কি গোপন জবানবন্দিতে তুলে ধরলেন প্রসূন, জোর চর্চা শুরু হয়েছে তা নিয়ে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ