Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

শহুরে ভোট ব্যাংকে থাবা বসাবে প্রশান্ত কিশোরের দল, চিন্তা বিজেপি শিবিরে

তেজস্বী যাদবের শক্তি হল লালুপ্রসাদ যাদবের তৈরি করে যাওয়া ভোটব্যাংক এম-ওয়াই। মুসলিম-যাদব। বিজেপির নিজস্ব ভোটব্যাংক হল উচ্চবর্ণ এবং শহুরে মধ্য‌বিত্ত-উচ্চবিত্ত।

শহুরে ভোট ব্যাংকে থাবা বসাবে প্রশান্ত কিশোরের দল, চিন্তা বিজেপি শিবিরে
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তেজস্বী যাদবের শক্তি হল লালুপ্রসাদ যাদবের তৈরি করে যাওয়া ভোটব্যাংক এম-ওয়াই। মুসলিম-যাদব। বিজেপির নিজস্ব ভোটব্যাংক হল উচ্চবর্ণ এবং শহুরে মধ্য‌বিত্ত-উচ্চবিত্ত। তার সঙ্গে নন-যাদব ওবিসি। নীতীশ কুমারের জেডিইউয়ের প্রধানত অনগ্রসর, মহাদলিত। এছাড়া যদিও নীতীশ কুমারের নিজস্ব ভোটব্যাঙ্ক বলতে কৈরী ও কুর্মি। চিরাগ পাসোয়ানের পাসোয়ান বিশেষ ভোটব্যাঙ্ক। অনগ্রসরের মধ্যে ধানুক, মাল্লা, ব্রজবংশী, তেলি, রবিদাস, মুশহর কিংবা বাঁশফোঁরদের নিয়ে কমবেশি সকলে টানাটানি করে। এই সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বাইরে বিহারের রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি সবথেকে বেশি জোর দিচ্ছেন বিহারের উন্নতি ও বিহারের শিক্ষা ব্যবস্থায়। আগ্রসী ভঙ্গিতে তিনি কার্যত সব রাজনৈতিক দল঩কে ব্যর্থ ও অযোগ্য আখ্যা দিয়ে চলেছেন। এমনকি বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, ৫ থেকে ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে বাকি দলগুলি টিকিট বিক্রি করছে। অর্থাৎ প্রার্থী করা হচ্ছে। পিকের জন সুরাজ পার্টি এই প্রথম ভোটে লড়াই করবে। আর তাই বিহারে সবথেকে বেশি আলোচনা, চর্চা, জল্পনা চলছে প্রশান্ত কিশোর তথা পিকেকে নিয়ে। সবথেকে বড় যে চর্চা শুরু হয়েছে সেটি হল, কোন দলের ভোটব্যাংকে থাবা বসাবেন তিনি। আর এখানেই সবথেকে বড় আশঙ্কায় ভুগছে বিজেপি। দলের অন্দরেই বলা হচ্ছে, প্রাথমিক সমীক্ষায় আভাস পাওয়া যাচ্ছে, পিকে শহুরে যুব সম্প্রদায়ের কাছে প্রথম পছন্দ হয়ে উঠছেন। এমনকি গ্রামীণ অঞ্চলে তাঁর সভা সমাবেশে অল্প বয়সিদের ভিড় বেশি হচ্ছে। লোকসভা ভোটে  বিজেপি জোটের সবথেকে বড় ভরসা হয়ে ছিল মহিলা ও যুব ভোটার। তারা‌ই ঢেলে ভোট দিয়েছে এনডিএ জোটকে। বিহারে সাধারণত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের আচরণ পৃথক। জাতিগত সমীকরণ বিধানসভা ভোটে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে। বিজেপির আশঙ্কা হল একদিকে নীতীশ কুমার এবার অনেক কম আসন পাবেন বলে একটি আশঙ্কা রয়েছে। তার উপর আবার বিজেপির ভোটব্যাংকেও যদি টান পড়ে, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়াই সমস্যা হবে। মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াতে প্রশান্ত কিশোর ঘোষণা করেছেন যে, নীতীশ কুমার এবার ২৫টিরও কম আসন পাবেন। এমনকি বিরোধী দলগুলি প্রচার চালাচ্ছে যে, বিজেপিও নাকি চাইছে নীতীশের আসন কমে যাক। এই প্রচার সামলাতে বিজেপি নাজেহাল। কিন্তু সবথেকে বড় উদ্বেগ প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে। তিনি কার কতটা ক্ষতি করবেন? 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ