Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পশ্চিম মেদিনীপুরে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলির সূচনা

রথযাত্রার আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলি শুরু হল। এতে খুশি জেলাবাসী। প্রথম ধাপে জেলার দেড় লক্ষ পরিবারের কাছে প্রসাদ পৌঁছবে। ধাপে ধাপে মোট ১০ লক্ষ পরিবারের কাছে প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলির সূচনা
  • ২২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: রথযাত্রার আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলি শুরু হল। এতে খুশি জেলাবাসী। প্রথম ধাপে জেলার দেড় লক্ষ পরিবারের কাছে প্রসাদ পৌঁছবে। ধাপে ধাপে মোট ১০ লক্ষ পরিবারের কাছে প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। শনিবার শালবনী বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে এই প্রসাদ বিলির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, শালবনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নেপাল সিংহ প্রমুখ। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, রেশন দোকান থেকেই প্রসাদ বিলি করা হবে। চলতি সপ্তাহেই বেশিরভাগ এলাকায় প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জেলার বেশকিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় প্রসাদ বিলিতে সমস্যা হচ্ছে। সেইসব এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর প্রসাদ বিলি হবে। 

Advertisement

সাংসদ বলেন, এখনও অনেকেই দীঘার মন্দির দর্শন করতে যেতে পারেননি। তাঁদের কথা ভেবেই মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসাদ পেয়ে মানুষ খুব খুশি হচ্ছেন। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি প্রতিটি ঘরে প্রসাদ পৌঁছে যাবে। জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি বলেন, দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ ১০০ শতাংশ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। বিভিন্নভাগে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। প্রসাদ বিলি কর্মসূচি ব্লকের তরফে মনিটরিং করা হবে। প্রসঙ্গত, জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের পরই দীঘায় ভিড় বেড়েছে। আবেগে ভাসছে রাজ্যের মানুষ। ভিনরাজ্যের অনেকে দীঘা বেড়াতে আসছেন। এতে রাজ্যের লক্ষ্মীলাভও হচ্ছে। জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময়ই বাড়ি বাড়ি প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুসারে পরিকল্পনা শুরু হয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রসাদ বিলি নিয়ে বৈঠকও হয়। প্রসাদের প্যাকেটে জগন্নাথ মন্দির ও ঠাকুরের ছবিও দেওয়া হচ্ছে।
বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, সকলেই চাইছেন মন্দির দর্শন করতে। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা রাহুল দাস বলেন, দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে যেতে পারিনি। তবে প্রসাদ পেয়ে ভালো লাগছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ