নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: পুরসভার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি নিয়ে ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। রাজ্যের একাধিক পুরসভার পাশাপাশি রানাঘাট পুরসভাও রয়েছে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। সেই মামলাতেই এবার প্রাক্তন এগজিকিউটিভ অফিসারকেও তলব করল সিবিআই। আজ, বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেসের সিবিআই দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়েছে ওই প্রাক্তন বড়বাবুকে।
Advertisement
২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট তিন দফায় রানাঘাট পুরসভায় নিয়োগ হয়। সবমিলিয়ে ১৬১টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই মতো পরীক্ষাও হয়। পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, উত্তীর্ণরা প্রত্যেকেই রানাঘাট পুরসভার অস্থায়ী কর্মী। অথচ তার বাইরেও বহু চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষা দিলেও উত্তীর্ণ হননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রাজ্যজুড়ে যখন পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই, তখন স্বাভাবিকভাবেই রানাঘাটের নিয়োগ নিয়েও তৎপর হন গোয়েন্দারা। এরপর গতবছর ৯ অক্টোবর এই পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৎকালীন চেয়ারম্যান তথা রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরবর্তীতে আরও দু’বার পুরসভাকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করেছেন গোয়েন্দারা। মাসখানেক আগেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল পুরসভাকে। পুরসভার পক্ষ থেকে বর্তমান কার্যনির্বাহী আধিকারিক বিপুল চক্রবর্তী হাজির হয়েছিলেন গোয়েন্দা দপ্তরে। সম্প্রতি একই মামলার তদন্তে ডাকা হয়েছে বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, এবার নিয়োগ মামলার তদন্তের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে তৎকালীন রানাঘাট পুরসভার ‘বড়বাবু’ বিশ্বনাথ বাগকেও। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্বনাথবাবু ২০১৬ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রানাঘাট পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই, দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাঁর আমলেই। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ, বৃহস্পতিবার তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছে সিবিআই অফিসে।
অবসরের পর থেকেই বিশ্বনাথবাবু থাকেন হুগলির চুঁচুড়াতে। সিবিআই তলবের বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি কি হাজিরা দেবেন সিবিআই অফিসে? প্রশ্নের উত্তরে বিশ্বনাথবাবু বলেন, অবশ্যই যাব। নোটিস পেয়েছি আমি। তবে কী বিষয়ে আমাকে ডাকা হয়েছে, তা জানা নেই। আমার দিক থেকে যা যা সাহায্য করা সম্ভব, আমি তদন্তে সাহায্য করব।
অবসরের পর থেকেই বিশ্বনাথবাবু থাকেন হুগলির চুঁচুড়াতে। সিবিআই তলবের বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি কি হাজিরা দেবেন সিবিআই অফিসে? প্রশ্নের উত্তরে বিশ্বনাথবাবু বলেন, অবশ্যই যাব। নোটিস পেয়েছি আমি। তবে কী বিষয়ে আমাকে ডাকা হয়েছে, তা জানা নেই। আমার দিক থেকে যা যা সাহায্য করা সম্ভব, আমি তদন্তে সাহায্য করব।



