Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রিয় দাস খুন কাণ্ড: ফের হাসপাতালে ভর্তি ওয়াসিম

প্রিয় দাস খুন কাণ্ড: ফের হাসপাতালে ভর্তি ওয়াসিম
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, দিনহাটা: সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সহ দিনহাটা হাসপাতালের দায়ের করা জিডি শুক্রবার পেশ করা হয়েছে, দিনহাটা মহকুমা আদালতে। পুলিসের তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রিয় খুনে অভিযুক্ত ওয়াসিম আক্রমকে ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুলিস হেফাজতের নির্দেশের পরেই পেটের যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়ে ওয়াসিম। আপাতত সে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 
Advertisement
উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার মিষ্টির দোকানের কর্মচারী প্রিয় দাস (২৩) খুন হয় দিনহাটায়। নয়ারহাটের সাবেক ছিটমহল শিবপ্রসাদ মুস্তাফিতে উদ্ধার হয় তার দেহ। ঘটনার তদন্তে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রের খবর, খুনের ঘটনা থেকে পুলিসের নজরে এড়াতে হাসপাতালে ভর্তি ছিল অন্যতম অভিযুক্ত ওয়াসিম। খুনের সুপারি পেতেই পেট ব্যথার কথা জানিয়ে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। মধ্যরাতে ডালখোলা থেকে প্রিয়দাসকে নিয়ে দিনহাটায় হাজির হয় আনিকুল ও ওয়াসিমের জামাইবাবু সরফরাজ ওরফে মুসলেম। তাদের সঙ্গে গাড়িতে চেপে হাসপাতাল থেকে শিপ্রসাদ মোস্তাফিতে গিয়ে খুনের পরে ফের হাসপাতালে এসে বেডে শুয়ে পড়ে সে। 
তদন্তে নেমে পুলিস প্রিয় দাসের কল ডিটেল খুঁটিয়ে দেখে। আকাশ দাস নামে এক ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্ট থেকে ১২ লক্ষ টাকা হ্যাকিংয়ের ঘটনায় জড়িত প্রিয় সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে আসে। প্রিয়র ফোন কলের তথ্য ধরেই যোগ মিলে সরফরাজের। পরবর্তীতে আনিকুল ও ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোসলেম ও অনিকুলের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তবে হাসপাতালে ভর্তি থাকার নথি দেখিয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ওয়াসিম। 
তবে হঠাৎ করে হাসপাতাল থেকে উধাও হওয়াতে থানাতে জিডি করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাওয়া ও ফিরে আসার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিস। এদিন আদালতে এসব তথ্য প্রমাণ পেশ করা হয়। তখনই ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতের নির্দেশ শুনেই পেট ব্যথা নিয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ওয়াসিম।  
দিনহাটা মহকুমা পুলিস আধিকারিক ধীমান মিত্র বলেন, প্রিয় খুনে আরও একাধিক তথ্য প্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়েছে। ওয়াসিমের ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অভিযুক্তর দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ