Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুর চেয়ারম্যানকে সরাতে মদত পরেশের, তোপ দলেরই নেতার

পুর চেয়ারম্যানকে সরাতে মদত পরেশের, তোপ দলেরই নেতার
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থাতেও তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকট। তৃণমূলের একটি অংশের দাবি, মেখলিগঞ্জের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারির মদতেই কাউন্সিলারদের একাংশ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার চেষ্টা করছেন। বিধায়কই গোটা বিষয়ে মদত দিচ্ছেন। যদিও এই মদত দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিধায়ক। তাঁর পাল্টা দাবি, বার বার দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলার জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান তাঁদের অসহযোগিতা করছেন। তবে অনাস্থা নিয়ে কেউ কথা বলেনি।
Advertisement
সরসারি বিধায়ককে তোপ দেগে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি তথা মেখলিগঞ্জের তৃণমূল নেতা লক্ষ্মীকান্ত সরকার বলেন, পুরসভার চেয়ারম্যান স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ। কাজের ক্ষেত্রে তিনি যথেস্ট তৎপর। তাঁর কাজের বিষয়ে কারও কিছুই বলার নেই। তারপরও কয়েকজনকে দিয়ে চেয়ারম্যানকে সরাতে তৎপর হয়েছেন পরেশবাবু। আমাদের জেলা নেতৃত্ব বা স্থানীয় নেতৃত্বকে কিছুই জানানো হয়নি। দলে থেকে দলের চেয়ারম্যানকে সরাতে এই তৎপরতা সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক। এতে দলেরই ক্ষতি হবে। আমরা জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্বকেও জানাব।
যদিও জবাবে বিধায়ক পরেশ বলেন, আমার মদত দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। কয়েকবার কাউন্সিলারদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। ওদের দাবি, চেয়ারম্যানকে নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। তবে অনাস্থা আনার  বিষয়ে আমার সঙ্গেও কেউ যোগাযোগ করেনি। দলের জেলা নেতৃত্বকে কিছুই জানায়নি।
গত অক্টোবরের পর সম্প্রতি ফের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার চেষ্টায়  কয়েকজন কাউন্সিলার। ভাইস চেয়ারম্যান আস্থাভোটের জন্য আগামী শুক্রবার বৈঠক ডেকেছেন। মেখলিগঞ্জে এনিয়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বড় নেতার হাত না থাকলে দলের মনোনীত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কখনই কাউন্সিলারদের সাহস হতো না। ফলে কিছুদিন ধরে মেখলিগঞ্জে তৃণমূলের নেতৃত্বরা দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। সেই কোন্দল পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থাকে ঘিরে প্রকাশ্যে এসে পড়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ