নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: বহু বছরের টানাপোড়েনের সমাপ্তি। রানাঘাট শহরে সাঁতার প্রশিক্ষণের একমাত্র কেন্দ্রটির জন্য অর্থ বরাদ্দ হওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এক সময়ে অপরিকল্পিত ভাবে তৈরি হওয়া রানাঘাট আদালত লাগোয়া পুরসভার সুইমিং পুলটির জন্য ডিপিআর অনুযায়ী প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ করতে চলেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। বুধবার পুর মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে রানাঘাটের চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে মিলেছে সেই সবুজ সংকেত।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রানাঘাট শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে আদালত সংলগ্ন এলাকায় এক সময়ে গড়ে উঠেছিল একটি সুইমিং পুল। সাঁতার শেখানোর জন্য সেই পুলটি তৈরি হয় ২০০৫ সালে। তৎকালীন সিপিএম সাংসদ অলকেশ দাসের তহবিলের টাকায় সেটি তৈরি হয়। জেলাশাসকের তত্ত্বাবধানে গঠিত একটি কমিটি ছিল সেই পুল পরিচালনার দায়িত্বে। কিন্তু কিছু বছরের মধ্যেই পরিকাঠামোগত একাধিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায় সুইমিং পুলটি।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সুইমিংপুলের নীচে টাইলস ব্যবহার না হওয়া, সিমেন্টের ঢালাই ফেটে মাটির সঙ্গে জল মিশতে শুরু করা, জল পরিবর্তনের উপযুক্ত জায়গার অভাব সহ একাধিক সমস্যা ধরা পড়ে। বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব বদল হলেও হাল ফেরেনি পুলের। শেষ পর্যন্ত পুলের দায়িত্ব পায় রানাঘাট পুরসভা। কিন্তু করোনাকালে পাকাপাকিভাবে তালা পড়ে যায় পুলে। পরিকাঠামগত ত্রুটি সরিয়ে, নতুনভাবে পুল তৈরি করার জন্য বিপুল যে অর্থ প্রয়োজন তা জোগানের সাধ্য নেই পুরসভার। ফলে সাধারণ নাগরিকদের একাধিকবার আবেদনেও চালু হয়নি সুইমিং পুল। তবে সংস্কারের খরচ এবং সংস্কার করে সেই সুইমিং পুল চালুর জন্য নতুন করে ডিপিআর (ডিটেইল্ড প্রজেক্ট রিপোর্ট) তৈরি করে রানাঘাট পুরসভা। বুধবার এ বিষয়ে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক হয় রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের মধ্যে। বৈঠক শেষে রানাঘাটের চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, নতুনভাবে ওই পুল তৈরি করার জন্য প্রায় ৯২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করতে রাজি হয়েছে নগরোন্নয়ন দপ্তর। ফলে রানাঘাটের সুইমিং পুল সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।
কোশলদেব বলেন, মন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি ৯২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করতে রাজি হয়েছেন। এদিন তিনি দ্রুত ফাইল ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা মন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। রানাঘাটবাসীর তরফ থেকে ফিরহাদ হাকিমকে ধন্যবাদ।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সুইমিংপুলের নীচে টাইলস ব্যবহার না হওয়া, সিমেন্টের ঢালাই ফেটে মাটির সঙ্গে জল মিশতে শুরু করা, জল পরিবর্তনের উপযুক্ত জায়গার অভাব সহ একাধিক সমস্যা ধরা পড়ে। বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব বদল হলেও হাল ফেরেনি পুলের। শেষ পর্যন্ত পুলের দায়িত্ব পায় রানাঘাট পুরসভা। কিন্তু করোনাকালে পাকাপাকিভাবে তালা পড়ে যায় পুলে। পরিকাঠামগত ত্রুটি সরিয়ে, নতুনভাবে পুল তৈরি করার জন্য বিপুল যে অর্থ প্রয়োজন তা জোগানের সাধ্য নেই পুরসভার। ফলে সাধারণ নাগরিকদের একাধিকবার আবেদনেও চালু হয়নি সুইমিং পুল। তবে সংস্কারের খরচ এবং সংস্কার করে সেই সুইমিং পুল চালুর জন্য নতুন করে ডিপিআর (ডিটেইল্ড প্রজেক্ট রিপোর্ট) তৈরি করে রানাঘাট পুরসভা। বুধবার এ বিষয়ে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক হয় রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের মধ্যে। বৈঠক শেষে রানাঘাটের চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, নতুনভাবে ওই পুল তৈরি করার জন্য প্রায় ৯২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করতে রাজি হয়েছে নগরোন্নয়ন দপ্তর। ফলে রানাঘাটের সুইমিং পুল সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।
কোশলদেব বলেন, মন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি ৯২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করতে রাজি হয়েছেন। এদিন তিনি দ্রুত ফাইল ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা মন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। রানাঘাটবাসীর তরফ থেকে ফিরহাদ হাকিমকে ধন্যবাদ।



