Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের

বেশ কিছুদিন ধরেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কখনও আবার বৃষ্টি থামলেও আকাশ মেঘলা হয়ে থাকছে। এদিকে পুজোর আর বেশি দেরি নেই। এই অবস্থায় প্রতিমা তৈরির কাজ কীভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন জেলার মৃৎশিল্পীরা।

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের
  • ১০ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সিউড়ি: বেশ কিছুদিন ধরেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কখনও আবার বৃষ্টি থামলেও আকাশ মেঘলা হয়ে থাকছে। এদিকে পুজোর আর বেশি দেরি নেই। এই অবস্থায় প্রতিমা তৈরির কাজ কীভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন জেলার মৃৎশিল্পীরা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী কয়েকদিনও জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কপালে চিন্তার ভাঁজ শিল্পীদের। আর প্রায় দেড়মাস পরেই দুর্গাপুজো। তার আগে রয়েছে বিশ্বকর্মা পুজো। ইতিমধ্যেই অগ্রীম নিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা। সময়ে দিতে হবে প্রতিমার ডেলিভারি। কিন্তু, নিয়মিত বৃষ্টিপাতে কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে, সেই নিয়েই আশঙ্কায় দিন কাটছে মৃৎশিল্পীদের। প্রতিমা বিক্রেতারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে মেঘলা আকাশ ও নিয়মিত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পুজোর আগে প্রকৃতির এমন খামখেয়ালিপনায় প্রমাদ গুনতে শুরু করেছেন  মৃৎশিল্পীরা। রোদের দেখা কবে মিলবে, সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন তাঁরা। শিল্পীরা বলেন, এবছর অনেক বেশি পরিমাণে বৃষ্টিপাত হওয়ায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। প্রতিদিন সকালে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে। প্রায়ই দুপুর বা বিকেল হতেই টানা বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই মূর্তি তৈরির কাজ থমকে যাচ্ছে। বৃষ্টির হাত থেকে প্রতিমা রক্ষা করতে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হচ্ছে। বৃষ্টির জন্য প্রতিমা তৈরির কাজ অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সিউড়ির পুলিস লাইন এলাকার প্রতিমা শিল্পীরা বলেন, দুপুর থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে বৃষ্টিপাতও হচ্ছে। তখন তড়িঘড়ি করে প্রতিমাগুলি ঢাকতে হচ্ছে। কাজ করতে চরম সমস্যা হচ্ছে। দুর্গার পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে বিশ্বকর্মা প্রতিমা তৈরির কাজও। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টি না থামলে মূর্তি শুকানোর জন্য গ্যাস বার্নার ব্যবহার করতে হবে। তাতে খরচ আরও বাড়বে। মৃৎশিল্পী সঞ্জীব বাগদি বলেন, কাজ করতে চরম সমস্যা হচ্ছে। দোকানের ভিতরেই প্রতিমা রাখতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই শুকাতে সময় লাগছে। কীভাবে কাজ সম্পন্ন হবে সেটাই এখন চিন্তার বিষয়। আর এক মৃৎশিল্পী সমীর পাল বলেন, আমার দোকান অত্যন্ত ছোট। এবছর ২২টি দুর্গা প্রতিমা তৈরির বায়না পেয়েছি। দোকানেই ১২টা প্রতিমা বানাতে হবে। বৃষ্টির জেরে কাজ করতে পারছি না। কাঠামো তৈরি করে বসে আছি। কীভাবে কাজ সম্পন্ন হবে জানি না। এর উপর গ্যাস বার্নার দিয়ে প্রতিমা শুকানোর কাজ করতে হলে খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। 

Advertisement

 তিলপাড়া ব্যারাজের জল ছাড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ