Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হিমঘর খুললেও এখনও গতি নেই আলু মজুতের

হিমঘর খুললেও এখনও গতি নেই আলু মজুতের
  • ১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হিমঘর খুললেও এখনও আলু মজুর করার গতি নেই জলপাইগুড়িতে। কৃষি বিপণন দপ্তরের দাবি, জেলায় ২৭টি হিমঘরে আলু রাখার যে পরিকাঠামো রয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তার মাত্র ২ শতাংশ পূরণ হয়েছে। অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত হিমঘরে আলু ঢোকেনি বললেই চলে।

Advertisement

সরকারিভাবে গত ১১ মার্চ থেকে জলপাইগুড়িতে হিমঘর খুলে দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আলু ঢোকার যেহেতু গতি নেই, ফলে অনেক হিমঘর খোলেইনি। তাছাড়া রমজান মাস চলায় আলু লোডিং আনলোডিংয়ের শ্রমিক পাওয়ার ক্ষেত্রেও একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে গত দু’দিন ধরে জলপাইগুড়ির আবহাওয়া ভালো নয়। বুধবার বৃষ্টিও হয়েছে। এ অবস্থায় আলু তুলে মাঠে ফেলে রাখলে তা ভিজে পচে যাওয়ার আশঙ্কা। সবমিলিয়ে চাষিরা কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে চাইছেন।
পশ্চিমবঙ্গ হিমঘর মালিক সমিতির উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কমিটির জলপাইগুড়ি সদরের আহ্বায়ক কিশোর মারোদিয়া বলেন, জলপাইগুড়ি সদরে আটটি হিমঘর রয়েছে। এর মধ্যে দু’টি এখনও পর্যন্ত খুলেছে। বাকিগুলি ১৭ তারিখ খুলবে। আলু ঢোকার গতি না থাকার কারণেই যে এখনও পর্যন্ত সমস্ত হিমঘর খোলেনি, তা এদিন স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে শ্রমিক সমস্যার কথাও মেনে নিয়েছেন।
আলু নিয়ে নবান্নের সঙ্গে ভার্চুয়াল মিটিং হয় এদিন। জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের দপ্তর থেকে সেই বৈঠকে যোগ দেন কৃষি ও কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি হিমঘর মালিকদের সংগঠনের কর্তারা। পরে কৃষি বিপণন দপ্তরের সহকারী অধিকর্তা দেবাঞ্জন পালিত বলেন, আমাদের জেলায় হিমঘরগুলিতে আলু রাখার যতটা পরিকাঠামো রয়েছে, তার ৮৭ শতাংশ পূরণ হয়েছিল গত বছর। এবার এদিন পর্যন্ত প্রায় দুই শতাংশ আলু ঢুকেছে। গতবার ১৫ মার্চ থেকে হিমঘরে আলু ঢোকা শুরু হয়েছিল। এবারও হোলির পর থেকেই আলু ঢুকতে শুরু করবে বলে মনে করছি। তাঁর দাবি, সরকারিভাবে হিমঘর খোলা। আলু এলেই তা রাখার বন্দোবস্ত করা হবে।
এদিকে, হিমঘর মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যে দরে সরকার আলু কিনছে, মাঠ থেকেও সেই দামেই পাইকাররা আলু কিনছেন। এমনটা হলে সরকারকে আলু বিক্রি করার ইচ্ছে হারাবেন চাষিরা। যদিও কৃষি বিপণন দপ্তরের সহ অধিকর্তা দেবাঞ্জন পালিতের দাবি, সুফল বাংলায় বিক্রির জন্য চাষিদের কাছ থেকে আলু কেনা চলছে। এদিন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ২৫০ কুইন্টাল আলু কেনা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ