Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শমীককেই রাজ্য সভাপতি চাই, পোস্টার কালনায়, পদ্মে তোলপাড়

শমীককেই রাজ্য সভাপতি চাই, পোস্টার কালনায়, পদ্মে তোলপাড়
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ১৫:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান এবং সংবাদদাতা, কালনা:  এর আগে অগ্নিমিত্রা পলকে রাজ্য সভানেত্রী চেয়ে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই দেখা যায় ‘দিলীপদা তোমায় চাই’ জাতীয় পোস্টার। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন শমীক ভট্টাচার্য। কয়েক দিন আগেই তিনি জেলায় এসেছিলেন। দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। তার বেশ কিছুদিন পর বুধবার সকালে কালনা শহরের পুরানো বাস স্ট্যান্ড এলাকায় তাঁকে রাজ্য সভাপতি দেখতে চেয়ে পোস্টার পড়ল। শহরের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের পোস্টার পড়েছে। নেতৃত্ব গোপন তদন্ত করে জানতে পেরেছে, পুরনো নেতা এবং কর্মীরাই এই পোস্টার দিয়েছে। তাতে বিজেপি নেতৃত্বর অস্বস্তি বেড়েছে। এমনিতেই রাজ্য সভাপতির পদে কে বসবেন তা নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। একাংশ চাইছেন সুকান্ত মজুমদারকেই ওই পদে রাখা হোক। দিলীপ ঘোষ সহ অন্যান নেতাদের আলাদা আলাদা দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হোক। একপক্ষ অবশ্য নতুন মুখ আনার পক্ষে সওয়াল করছেন। সেই তালিকায় একাধিক নাম রয়েছে। শমীকবাবুও তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু এদিন এভাবে পোস্টার পড়ায় নেতৃত্ব কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে। 

Advertisement

কালনা অঞ্চলে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন নয়। বহু পুরনো বিজেপি কর্মী বসে গিয়েছে। এমনকী কালনা-১ ব্লক এলাকায় জয়ী বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যদের খোঁজখবর নেওয়া হয় না বলে তাঁদের দাবি। এই পরিস্থিতে এমন পোস্টারে নেতৃত্বের অস্বস্তি বাড়াই স্বাভাবিক। কালনা শহরের পুরনো বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, মহকুমা বিদ্যুৎ দপ্তরের সামনে এই পোস্টার দেখা যায়। তাতে লেখা ছিল, ‘একমাত্র শমীক ভট্টাচার্য সভাপতি হলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার হবে। সংসদে তিনি যেমন বলেন, রাস্তার লড়াইতেও মমতার বিরুদ্ধে জোরদার লড়াই করতে পারবেন’।  পোস্টারের নীচে লেখা ‘বিজেপি বাঁচাও মঞ্চ’। 
বিজেপির কালনা নগর মণ্ডলের সভাপতি সৌরভ রায় বলেন, ‘বিজেপি বাঁচাও’ বলে বিজেপির কোনও সংগঠন নেই। এটা বিরোধীদের চক্রান্ত। এটাকে আমরা গুরুত্ব দিতে রাজি নই। দল যাঁকে যোগ্য মনে করবেন তিনি হবেন দলের সভাপতি। তাঁর নির্দেশ মেনে আমরা কাজ করব। দলের মধ্যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই।
তৃণমূল নেতা আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি সন্দীপ বসু বলেন, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উন্নয়ন ও মানুষের পাশে থাকায় তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসছে। তাই অস্তিত্ব রক্ষায় ‘বিজেপি বাঁচাও মঞ্চ’। বিজেপি নেতাদের বিরোধীদের দিকে আঙুল তোলা হাস্যকর।  বিজেপির এক প্রবীণ নেতা বলেন, জেলায় অনেক নেতা শমীকবাবুর অনুগামী বলে পরিচিত।  তিনি যথেষ্ট দক্ষ নেতা। তাঁর সঙ্গে পুরনো নেতাদের সম্পর্কও ভালো। তিনি পদে বসলে সংগঠনের ভালোই হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ