Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অশ্লীল-ভিডিও? ফরেন্সিকে যাচ্ছে ইউটিউবার ও ছেলের দু’টি ফোন

হাড়োয়ার বাসিন্দা কলকাতা পুলিশের কর্মীর মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ইউটিউবারকে।

অশ্লীল-ভিডিও? ফরেন্সিকে যাচ্ছে ইউটিউবার ও ছেলের দু’টি ফোন
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: হাড়োয়ার বাসিন্দা কলকাতা পুলিশের কর্মীর মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ইউটিউবারকে। তিনদিনের পুলিশি হেপাজতের পর বুধবার ধৃতকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলে হাড়োয়া থানার পুলিশ। বিচারক তাকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনায় ধৃত ইউটিউবারের ছেলে রয়েছে হোমে। তবে, এক্ষেত্রে ব্ল্যাকমেলিংয়ের তত্ত্ব ভাবাচ্ছে পুলিশকে। সূত্রের খবর, বাবা ও ছেলের ফোনে সেই অর্থে কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবুও গোটা বিষয়টি নিশ্চিত হতে বাবা ও ছেলের ফোন দু’টি ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠাচ্ছে পুলিশ। গত রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ইউটিউবার এবং তাঁর ছেলে। নবম শ্রেণির পড়ুয়া ওই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে বসিরহাট মহকুমা আদালত। বিচারকের নির্দেশ, আগামী ২৪ অক্টোবর আবার আদালতে হাজির করাতে হবে অভিযুক্তকে। ইউটিউবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ফেসবুকে রিল বানানোর নাম করে নাবালিকার ‘অশ্লীল’ ভিডিও তোলেন। সেই ছবি দেখিয়ে কিশোরীকে ব্ল্যাকমেল করে ধর্ষণ করেন তিনি। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, বিষয়টি তাঁর ছেলেকে গিয়ে বলেছিল কিশোরী। সব শুনে ইউটিউবার-পুত্র সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়ে জানায়, ‘আমি তোমাকে বিয়ে করলাম’। তারপর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ইউটিউবারের ছেলেও নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। তিনদিন পর মেয়েকে নিয়ে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মা। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় বাবা ও ছেলে। পুলিশের একটি সূত্রের খবর, পুলিশে যেমন অভিযোগ হয়েছে জবানবন্দিতে সেটাই জানিয়েছে নির্যাতিতা। তাছাড়া মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্টও এসেছে। প্রাথমিকভাবে ফোনে কোনও অশ্লীল ভিডিও বা ছবি পাওয়া যায়নি। তবে, ব্ল্যাকমেল করার যে অভিযোগ করা হচ্ছে সেই সম্পর্কিত কোনও তথ্য প্রাথমিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে, যেহেতু বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে, তাই বিষয়টিকে হাল্কাভাবে নেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার পর একবারও থানায় আসেননি নির্যাতিতার বাবা। এটাও ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। এনিয়ে বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে কিছু বলব না। ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেলিংয়ের দিকটা নিশ্চিত হতে বাবা ও ছেলের ফোন আদালতের নির্দেশে ফরেন্সিকে পাঠানো হচ্ছে। রিপোর্ট হাতে এলে সব কিছু বোঝা যাবে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ