Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেহাল বিদ্যুৎ পরিষেবা, জেলা পরিষদের বৈঠক কর্তাদের সঙ্গে

বেহাল বিদ্যুৎ পরিষেবা, জেলা পরিষদের বৈঠক কর্তাদের সঙ্গে
  • ২৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ। হুগলি জেলাজুড়ে বেহাল বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। বারবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছেদ, চাষের জমিতে পর্যাপ্ত বিদ্যুতের অভাব সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে বৈঠক ডাকেন জেলা পরিষদের কর্তারা। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠক থেকেই বেশ কিছু সমাধান সূত্র পাওয়া গিয়েছে। সব অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদের স্থানীয় কর্তারা। 
এদিন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের মেন্টর সুধীর মুখোপাধ্যায়, সভাধিপতি রঞ্জন ধারা, আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ প্রমুখ। এছাড়াও ছিলেন হুগলির জেলাশাসক, বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদের তরফে রিজিওনাল ম্যানেজার মধুসূদন রায় ও অন্যান্য ডিভিশনাল ম্যানেজাররা।
হুগলি জেলার বিদ্যুৎ স্থায়ী সমিতির মাধ্যমে এদিনের বৈঠকটি ডাকা হয়। বৈঠকে একাধিক সমস্যার উল্লেখ করা হয়। সেখানেই বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্তাদের ধমক দেন জেলা পরিষদের কর্তারা। উল্লেখ্য, মাস তিনেক ধরে হুগলি জেলার ধনেখালি, ডানকুনি, চণ্ডীতলা, তারকেশ্বর সহ বিভিন্ন এলাকার বারবার বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। আর রাতের বেলা বিদ্যুৎ চলে গেলে তা মেরামতি করতে কোনও লোক আসছে না বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের ফোনে পাওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। 
বৈঠকে জেলা পরিষদের মেন্টর সুধীর মুখোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, রাতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হলে নাইট সার্ভিসের জন্য লোক নেই কেন? অনেক সময় দেখা গিয়েছে, পরিষেবা দেওয়ার ভয়ে অফিসের সদর দরজা তালাবন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। যদিও সেই সময়ে পিছনের গেট দিয়ে বিদ্যুৎ কর্মীদের যাতায়াত করতে দেখা গিয়েছে।
অন্যদিকে, সভাধিপতি বৈঠক চলাকালীন জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে খবর আসছে, স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্তাদের ফোন করলে পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা গিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের নম্বর বদলে গিয়েছে। কিন্তু, প্রশাসন সেই খবর জানেই না। জেলা পরিষদ দাবি জানিয়েছে, ধনেখালি, ডানকুনি, তারকেশ্বর, খানাকুল-২ এলাকায় দ্রুত অতিরিক্ত সাবস্টেশন তৈরি করতে হবে। ঠিকাদারদের কাজের পর্যালোচনা করতে হবে। এছাড়া চাষের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহে যাতে কোনও ত্রুটি না হয়, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। বেআইনিভাবে টাকা চাওয়া হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে আগাম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে হবে।
পর্ষদের রিজিওনাল ম্যানেজার মধুসূদন রায় বলেন, কিছু অভিযোগ এসেছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া কর্তাদের নতুন ফোন নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে রাতের বেলা কর্মী বৃদ্ধি করা হচ্ছে। 

Advertisement

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ