নয়াদিল্লি: ‘প্রত্যেক স্ত্রীকে যদি সমমর্যাদা দিতে পারেন, তাহলে একাধিক বিয়েতে কোনও সমস্যা নেই।’ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির দায়ের মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের। উচ্চ আদালতের তরফে এও বলা হয়েছে, কোরানে নির্দিষ্ট কিছু কারণে বহুবিবাহ সমর্থন করা হয়েছিল। তবে এখন পুরুষরা ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য তার অপব্যবহার করছেন। প্রথম পক্ষের স্ত্রীয়ের কথা লুকিয়ে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলেন ফুরকান নামে এক ব্যক্তি। এনিয়ে ২০২০ সালে মামলা দায়ের করেন দ্বিতীয় স্ত্রী। এমনকী বিয়ের পর তাঁকে বারবার ধর্ষণও করা হয়েছে বলে দাবি করেন ওই মহিলা। সেই মামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের নির্দেশ দেয় মোরাদাবাদ আদালত। পুলিসের সেই চার্জশিটকে চ্যালেঞ্জ করেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ফুরকান। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অরুণ কুমার সিং দেসওয়ালের সিঙ্গল বেঞ্চে শুনানি ছিল। সওয়াল-জবাব শেষে বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ফুরকান বিধি মেনেই দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। তাঁর দুই স্ত্রীই মুসলিম। তিনি কোনও অন্যায় করেননি। তবে দুই স্ত্রীকেই সমমর্যাদা দেওয়ার কথাও বিচারতি উল্লেখ করেছেন।



