Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দত্তপুকুরে বিপুল বাজি উদ্ধারে অধরা ‘মাস্টার’রা, প্রশ্নের মুখে পুলিসি তল্লাশি

দত্তপুকুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধারে নতুন করে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

দত্তপুকুরে বিপুল বাজি উদ্ধারে অধরা ‘মাস্টার’রা, প্রশ্নের মুখে পুলিসি তল্লাশি
  • ২১ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দত্তপুকুরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধারে নতুন করে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। ধৃতের সংখ্যা রয়ে গিয়েছে একেই। তাহলে কি এর পিছনে অন্য কোনও বিষয় আছে, এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কবে ধরা পড়বে ‘মাস্টার’রা, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়। গত বছরই দত্তপুকুরের ইছাপুর-নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোচপোলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ১০ জনের। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস। দিনের পর দিন এই এলাকায় বেআইনি বাজির কারবার চলায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে তৎকালীন আইসি-কেও। কিন্তু, এখন দেখা যাচ্ছে, সেই আগের মতোই চলছে বেআইনি নিষিদ্ধ বাজি তৈরি। কার্যত ‘বারুদের স্তূপ’ হয়ে রয়েছে দত্তপুকুর থানার ইছাপুর-নীলগঞ্জের বেশ কয়েকটি গ্রাম। হাতেনাতে তার প্রমাণ মিলেছে রবিবার। সেদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টা অভিযান চালিয়েই প্রায় তিন হাজার কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিস।

Advertisement

আজাহার নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিস। কিন্তু মোচপোল, নারায়ণপুর, জালসুখা, সহ আশেপাশের এলাকায় বেআইনিভাবে বাজি তৈরি এখনও চলছে বলে খবর। ধৃত আজাহার কেবল ‘চুনোপুঁটি’ বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। এর পিছনে ‘বড় মাথা’দের ধারেকাছে যাচ্ছে না পুলিস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নারায়ণপুরের এক বাসিন্দা বলেন, পুলিসের উপর চাপ তৈরি হচ্ছিল বলেই এদিন অভিযান করেছে। তারপর থেকে তারা চুপ। তাছাড়া যাঁরা এলাকায় বাজি তৈরির ‘মাস্টার’, তাঁদের ধারেকাছেও পুলিস যাচ্ছে না। আর যাবেও না! কারণ, সবাই সবটাই জানে। যে কোনও দিন আরও একটা মোচপোল হয়ে যেতে পারে আশেপাশের কোনও গ্রাম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ