নয়াদিল্লি: নগদ উদ্ধার কাণ্ডের তদন্তে বুধবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মার বাসভবনে পৌঁছে গেল পুলিসের একটি টিম। এই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন নয়াদিল্লির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (ডিসিপি) পদমর্যাদার এক অফিসার। সরকারি সূত্রে খবর, পোড়া টাকার বান্ডিল উদ্ধারের আগে বিচারপতি ভার্মার বাসভবনের যে জায়গায় আগুন লেগেছিল, পুলিসের টিম সেই স্থানটি খতিয়ে দেখেছে। বিচারপতির বাড়িতে কর্মরত কয়েকজন স্টাফের সঙ্গে কথা বলেছে বলেও খবর। পাশাপাশি, টাকা উদ্ধারের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করে দিল্লি পুলিস যাতে তদন্ত শুরু করে, সেই নির্দেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে পেশ হয়েছে আবেদন। আবেদনকারীদের তরফে জরুরি শুনানি চেয়ে আদালতের কাছে মৌখিক আর্জি জানানো হয়। যদিও সুপ্রিম কোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে।
পুলিসি তদন্তের দাবি জানানো অন্যতম আবেদনকারী আইনজীবী ম্যাথিউস জে নেদুমপারাপের আর্জি ছিল, পিটিশনটিকে জরুরি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হোক। তাঁর এই মৌখিক আর্জির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলে, ‘আমরা দুঃখিত। উপযুক্ত সময়ই আবেদনটি তালিকাভুক্ত করা হবে।’ হোলির দিন অগ্নিকাণ্ডের পর বিচারপতি ভার্মার বাড়ি থেকে বিশাল পরিমাণে পোড়া নোট উদ্ধার হয় বলে অভিযোগ। এই ইস্যুতে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, ‘কাউকে গ্রেপ্তার করা হল না কেন? ওই টাকা কেন বাজেয়াপ্ত করা হল না? ফৌজদারি আইনের প্রয়োগ হল না কেন? এই কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতে কেন প্রায় এক সপ্তাহ সময় গড়িয়ে যায়? এফআইআর দায়েরে দেরি করা হলে ও উদ্ধার হওয়া টাকার কোনও রেকর্ড না থাকলে ওই ঘটনা থামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এদিন সুপ্রিম কোর্ট আবেদনকারীদের টাকা উদ্ধার কাণ্ডে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে।