Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬

যন্তর মন্তরে আক্রান্ত পুলিশকর্মীরা, সরব পরিবার

‘যন্তর মন্তরের মূল মঞ্চের সামনে বাবাকে প্রায় পিটিয়ে মেরে ফেলছিল ওরা। হাসপাতালে চার ঘণ্টা অজ্ঞান অবস্থায় ছিলেন।

যন্তর মন্তরে আক্রান্ত পুলিশকর্মীরা, সরব পরিবার
  • ১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ‘যন্তর মন্তরের মূল মঞ্চের সামনে বাবাকে প্রায় পিটিয়ে মেরে ফেলছিল ওরা। হাসপাতালে চার ঘণ্টা অজ্ঞান অবস্থায় ছিলেন। রাত দশটা নাগাদ বাবার সহকর্মীরা তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। উর্দিটা রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল।’ বাবা সাব ইনস্পেক্টর। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন আক্রান্ত হন। সেকথাই বলছিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কুঞ্জল। ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে ছাত্র-যুব আন্দোলনে পুলিশের দমন-পীড়ন, প্যালেট গান ব্যবহার সহ নানা ইস্যুতে দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এরইমাঝে শুক্রবার দিল্লিতে একজোট হয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন পুলিশ আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যরা। পুলিশের উপর হামলা নিয়ে সরব হলেন আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিকদের স্ত্রী, পুত্র-কন্যারা। জানা গিয়েছে, বিচার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন তাঁরা। কুঞ্জলের কথায়, ‘পুলিশে যোগ দেওয়ার আগে বাবা নৌসেনায় কাজ করতেন। ১৫ বছর চাকরি করেছেন। বিক্ষোভস্থলে ডিউটি ছিল তাঁর। ব্যারিকেডের কাছে সামনের দিকে ছিলেন। প্রচুর ভিড় ছিল। রোজই বাড়ি ফিরে বলতেন, এটা শুধু আর পড়ুয়াদের আন্দোলন নেই। অনেক সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হচ্ছে। ২৫ তারিখ বাবার উপর হামলা করা হয়। একদল বাবাকে হিঁচড়ে নিয়ে যায়। পিটিয়ে প্রায় মেরেই ফেলছিল তাঁকে। মাথায় চারটি সেলাই পড়েছিল। পরের দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবাকে ক্রিমিনাল হিসাবে ব্যাখ্যা করেছিল একাংশ। এখানেই শেষ নয়। পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হচ্ছে। তখনই ঠিক করেছিলাম, এবার আমরাও বিচার চাইব।’ আর এক পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীর বক্তব্য, ‘২০ তারিখ সকাল সকাল টিফিন নিয়ে বেরিয়েছিলেন স্বামী। সন্ধ্যায় খবর পাই, হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। ওঁর হেলমেট ভেঙে গিয়েছিল।’ বাবা দিল্লি পুলিশের এসিপি। মাথায় আঘাত দেখে শিউরে উঠেছিলেন লক্ষ্য সিং বিস্তও। তাঁদের একটাই দাবি, শুধু একতরফা বক্তব্য তুলে ধরলে চলবে না। পুলিশের এই দিকটাও সামনে আনা হোক। প্রয়োজনে এনিয়ে সংসদে আলোচনা হোক।  

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ