নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ২০২৩ সালে বিধাননগর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় চার হাজারে পৌঁছে গেলেও ২০২৪ সালে তা নিয়ন্ত্রণে ছিল। ওই বছর মোট আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসে দাঁড়িয়েছিল চারশোর ঘরে। চলতি বছরে এখনও আক্রান্তের সংখ্যা একশোর ঘরে পৌঁছয়নি। গতবারের মতো যাতে এবারও সংক্রমণ কম থাকে, তার জন্য ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ জোর দিয়েছে বিধাননগর পুরসভা। পুরকর্মীদের সঙ্গে মশা ‘মারতে’ এবার রাস্তায় নেমেছে পুলিসও। পাশাপাশি নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এনকেডিএ) ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। লার্ভা নিধনে গত সপ্তাহে নিউটাউনে ছাড়া হয়েছে লক্ষাধিক গাপ্পি।
ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিবারই বিধাননগরে উপরের দিকে থাকে। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের হিসেব রাখা হয়। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে বিধাননগর পুরসভার ৪১টি ওয়ার্ড থেকে মোট ৩,৯৫৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গতবার অর্থাৎ, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন মোট ৩৯০ জন। এবার ১ জানুয়ারি থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বিধাননগর পুর এলাকার ৪১টি ওয়ার্ড থেকে ৮১ জন আক্রান্তের খবর এসেছে। পুরসভার সঙ্গে সোমবার নারায়ণপুর থানার পুলিস একটি পদযাত্রার আয়োজন করেছিল। সেখানে পুলিসকর্মীরা ব্যানার নিয়ে রাস্তায় হাঁটেন। ছিলেন পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মী, এলাকার পড়ুয়া সহ স্থানীয় বাসিন্দারা। পুরসভার দাবি, সাধারণ মানুষ যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পুলিস এগিয়ে আসায় খুশি পুরসভা।
বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গত বছর সংক্রমণ সবচেয়ে কম ছিল। এবার এখনও পর্যন্ত গোটা পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে, সংক্রমণ যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, তার জন্য এবারও বিশেষ জোর দিয়েছি। পরিচ্ছন্নতা, গাপ্পি ছাড়া, ওষুধ ছড়ানোর সহ সমস্ত পদক্ষেপ করা হচ্ছে।



