সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ভারতে ধৃত বাংলাদেশের মৎস্যজীবী রবীন্দ্রনাথ দাসকে নিয়ে এবার পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে খোঁজখবর শুরু করল উপকূলরক্ষী বাহিনী। বিভিন্ন মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির সঙ্গে তারা যোগাযোগ শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে সে কাকদ্বীপে যাতায়াত করত জলপথকে ব্যবহার করে। বাংলাদেশের ট্রলারে করে দু’দেশের জল সীমানায় এসে ওই মৎস্যজীবী কোনো একটি ভারতীয় ট্রলারে উঠে পড়ত। ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর কেউ তাকে ধরতে পারতেন না।
তদন্তকারীদের প্রশ্ন, তাহলে কি ওই ব্যক্তি কাকদ্বীপ থেকে একইভাবে ওপার বাংলায় যেত? তদন্তে এই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোন ট্রলারে আসত রবীন্দ্রনাথ, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এভাবে আর কোনো বাংলাদেশিকে এদেশে আনা হয়েছে কি না, সেব্যাপারেও খোঁজখবর নিচ্ছে পুলিশ। উপকূলরক্ষী বাহিনীও বিভিন্ন ট্রলার মালিকের সঙ্গে কথাবার্তা বলছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশি রবীন্দ্রনাথ দাস কাকদ্বীপে কোন ট্রলারে কাজ করত, সেটির খোঁজ চলছে। এব্যাপারে একাধিক মৎস্যজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। যেভাবে দেশের নিরাপত্তাকে জলাঞ্জলি দিয়ে বাংলাদেশিদের এখানে আনা হচ্ছে, তা উদ্বেগের বলেই মনে করছে পুলিশ প্রশাসন। এই প্রবণতা ঠেকাতে উপকূলবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন পুলিশ জেলার সুপার বিশ্বচাঁদ ঠাকুর।