Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভাঙড়ে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ,থমথমে এলাকা, ঝলসে যাওয়া শিশুদের মধ্যে আশঙ্কাজনক ১

মঙ্গলবার ভাঙড় থানা এলাকার খড়গাছিতে পিচের ড্রামে বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নেমে ২৪ ঘণ্টা বাদেও কোনো সূত্র খুঁজে পায়নি পুলিশ। থমথম করছে গোটা এলাকা।

ভাঙড়ে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ,থমথমে এলাকা, ঝলসে যাওয়া শিশুদের মধ্যে আশঙ্কাজনক ১
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতা: মঙ্গলবার ভাঙড় থানা এলাকার খড়গাছিতে পিচের ড্রামে বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নেমে ২৪ ঘণ্টা বাদেও কোনো সূত্র খুঁজে পায়নি পুলিশ। থমথম করছে গোটা এলাকা। কান্না থামছে না অগ্নিদগ্ধ তিন শিশুর পরিবারের সদস্যদের। জখমদের মধ্যে সাদিকুল আহমেদের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। সামিরুল মোল্লা ও রাইহান মোল্লা নামে বাকি দুই শিশুর যথাক্রমে ৫৫ ও ১৮ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। বিস্ফোরণ কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ। ওই ড্রামে কোনো আগুনের ফুলকি পড়তেই কি এই বিস্ফোরণ, নাকি অন্য কোনো কারণ, সূত্র হাতড়াচ্ছে পুলিশ।

Advertisement


এদিকে, বিস্ফোরণের জেরে ওই রাস্তা তৈরির কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। বিস্ফোরণস্থলটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বসানো হয়েছে পিকেট। জানা গিয়েছে, রাস্তা নির্মাণের জন্য পিচের ড্রাম সহ অন্যান্য রাসায়নিক সামগ্রী মজুত করা হয়েছিল খড়গাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনে। পাশেই স্কুলের মাঠ। সেখানে খেলে পড়ুয়ারা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চার শিশু সেখানে খেলছিল। সেই সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় ড্রামে। সিরাজ মোল্লা নামে এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘কান ফাটানো আওয়াজ পেয়ে ছুটে আসি। দেখি তিনটি বাচ্চা পুড়ে গিয়ে ছটফট করছে। বিস্ফোরণের জেরে গাছের পাতা পুড়ে গিয়েছে, পাশের একটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।’ আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকা সাদিকুলের বাবা জিয়াউল মোল্লা বলেন, ‘ডাক্তারবাবুরা বলেছেন, তিনদিন না যাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। ওর দেহ এতটাই ঝলসে গিয়েছে যে, শরীরে এখন চামড়া বলে কিছু নেই।’ এই ঘটনায় আহত এক শিশুর বাবা ভাঙড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।   খড়গাছির বিস্ফোরণস্থল। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ