Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ট্রাফিক আইন অমান্য-বেআইনি পার্কিংয়ে কড়া পুলিশ, একবছরে সাড়ে ১১ লক্ষ গাড়ি-বাইকের জরিমানা

সকালের অফিস টাইম মিটলেই শহরে যানজট পর্ব শুরু। দুপুর ১টা-২টো পর্যন্ত চলা সেই ভোগান্তিতে নাকাল হতে হয় আম জনতাকে। মাঝে কয়েক ঘণ্টার বিরতি।

ট্রাফিক আইন অমান্য-বেআইনি পার্কিংয়ে কড়া পুলিশ, একবছরে সাড়ে ১১ লক্ষ গাড়ি-বাইকের জরিমানা
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সকালের অফিস টাইম মিটলেই শহরে যানজট পর্ব শুরু। দুপুর ১টা-২টো পর্যন্ত চলা সেই ভোগান্তিতে নাকাল হতে হয় আম জনতাকে। মাঝে কয়েক ঘণ্টার বিরতি। বিকেলে অফিস থেকে ফেরা শুরু হতেই ফের যন্ত্রণা। নেপথ্য কারণ? লালবাজারের দাবি, প্রতিবছর শহরে গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি, বেআইনি পার্কিং অন্যতম কারণ এই যানজটের। লালবাজারের ট্রাফিক বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, গত একবছরে শহরে বেআইনি পার্কিংয়ের অভিযোগে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ গাড়ি ও বাইকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। একইসঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে, গত এক বছরে শহরে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দেড় লক্ষ। এই দুইয়ের যোগফলে শহরে যানজট চরমে। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্য কলকাতায় যানজটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। বড়বাজার, পোস্তা, জোড়াসাঁকো, কলেজ স্ট্রিট, শিয়ালদহ, রাজাবাজার, মৌলালি চত্বরে নিত্যদিন যানজটে ভোগেন যাত্রীরা। নিত্যযাত্রীরা বলছেন, বড়বাজার থেকে কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে প্রচুর তিন চাকার ভ্যান দাঁড় করা থাকে। যার জেরে এই রাস্তায় বাসের গতি অনেক শ্লথ হয়ে যায়। একইসঙ্গে এই রাস্তায় অটোর বহুল যাতায়াতকেও দায়ী করেছেন তাঁরা। এম জি রোড মূলত তিনটি ট্রাফিক গার্ডের আওতায় পড়ে। হাওড়া ব্রিজ ট্রাফিক গার্ড, জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ড ও শিয়ালদহ ট্রাফিক গার্ড। ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে খবর, এই তিনটি গার্ড এলাকায় বেআইনি পার্কিংয়ের বহর সবচেয়ে বেশি। মোট মামলার প্রায় ৫৩ শতাংশ। এক আধিকারিক বলেন, এই অংশে বেআইনি পার্কিং রুখতে ট্রাফিক গার্ডগুলিকে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ