Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চার বছর আগে খোয়া যাওয়া পিস্তল সহ পুলিশের ব্যাগ উদ্ধার আলমপুরে

নির্বাচনের প্রাক্কালে হাওড়ার আলমপুরে ব্রিজের ধারে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে পুলিশের পোশাক, নাইন এমএম পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

চার বছর আগে খোয়া যাওয়া পিস্তল সহ পুলিশের ব্যাগ উদ্ধার আলমপুরে
  • ২৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: নির্বাচনের প্রাক্কালে হাওড়ার আলমপুরে ব্রিজের ধারে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে পুলিশের পোশাক, নাইন এমএম পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিজের পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করার সময় শ্রমিকদের নজরে আসে ব্যাগটি। সন্দেহ হওয়ায় তারা সাঁকরাইল থানায় খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাগটি উদ্ধার করে এবং তার ভিতর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সামগ্রীগুলি বাজেয়াপ্ত করে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ব্যাগের ভিতর থেকে একটি আই কার্ড উদ্ধার হয়, যাতে বিশ্বজিৎ ঘোষ নামে এক পুলিশ কর্মীর পরিচয় পাওয়া যায়। বর্তমানে তিনি হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২২ সালে ডোমজুর থানার অঙ্কুরহাটি এলাকায় তাঁর একটি ব্যাগ খোয়া গিয়েছিল। সেই সময় তিনি এক আইপিএস আধিকারিকের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি পোশাক বদল করার সময় অসাবধানতাবশত ব্যাগটি ফেলে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ। ওই ব্যাগেই ছিল পুলিশের পোশাক, নাইন এমএম পিস্তল, কার্তুজ ও পরিচয়পত্র। পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পারে, দুই ব্যক্তি মোটরবাইকে করে ওই ব্যাগ নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালায়। সেই ঘটনায় ডোমজুর থানায় চুরির মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল। কিন্তু চার বছর ধরে ব্যাগটির কোনো হদিশ মেলেনি। চার বছর পর আলমপুরে সেই ব্যাগ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে রহস্য দানা বেঁধেছে। এতদিন ধরে ওই আগ্নেয়াস্ত্র ও পুলিশের পোশাক কারা ব্যবহার করেছে এবং তা কোনো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, সেটাই বড়ো প্রশ্ন। প্রাক-নির্বাচনি পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, ‘উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। কীভাবে ব্যাগটি এখানে এল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ