সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের ‘সুন্দরবন ফরেস্ট সত্যাগ্রহ’ আন্দোলন থমকে গেল। অভিযানের শেষ পর্যায়ে লোথিয়ান দ্বীপের কাছে নৌকা নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০ ফুট দূরে তাঁদের নৌকা আটকে দেয় বনদপ্তর ও পুলিস। তারপর সেখানে মৎস্যজীবীদের ১৮টি নৌকা নোঙর ফেলে আধঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে। উপকূলে ফিরে আসার পর মৎস্যজীবীবরা জানিয়েছেন, আজ ভাগবতপুর রেঞ্জের সামনে ধরনায় বসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ প্রায় ১৫০ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী নামখানার সীমাখাল থেকে নৌকায় লোথিয়ান দ্বীপের দিকে রওনা দেন। সেখানে পৌঁছনোর আগে বনদপ্তর ও পুলিস লঞ্চ নিয়ে তাঁদের ঘিরে ফেলে। দ্বীপে যেতে বারণ করে। মৎসজীবীরা জানান, নদী, খাঁড়ি ও জঙ্গলে মাছ-কাঁকড়া ধরতে বনদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা ও অন্যায় অত্যাচারের প্রতিবাদে সুন্দরবন ফরেস্ট সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
রবিবার সকালে ডায়মন্ডহারবারের সুলতানপুর মৎস্যবন্দর থেকে লোথিয়ান দ্বীপের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু হয়েছিল। শতাধিক ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। তিন দিন ধরে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বুধবার লোথিয়ান ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারিতে পৌঁছনোর লক্ষ্য ছিল। সেখানে বনদপ্তরের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু বনদপ্তর ও পুলিস তা করতে দেয়নি। দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক মিলন দাস বলেছেন, ‘বৃহস্পতিবার ভাগবতপুর রেঞ্জের সামনে মৎস্যজীবীরা ধর্নায় বসবেন।
দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন
চলবে।’ -নিজস্ব চিত্র