নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: একে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। তার উপর ফুচকা খেয়ে কার্যত যেন ‘মড়ক’ লেগে গিয়েছে হাড়োয়ার দু’টি গ্রামে। বয়স্কদের পাশাপাশি অসুস্থ বেশ কয়েকটি শিশুও। প্রত্যেকেরই পেটের সমস্যা। বমি হচ্ছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১০ জনকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হয়েছে কলকাতায়। ঘটনাটি ঘটেছে হাড়োয়ার শালিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্জুনতলা ও গোয়ালপাতা এলাকার। বুধবার পর্যন্ত ওই ফুচকাওয়ালার হদিশ করতে পারেনি হাড়োয়া থানা।
জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে শালিপুরে এক ফুচকা বিক্রেতার কাছ থেকে অনেকে ফুচকা কিনে খান। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। কারও বমি, কারও দাস্ত, কারও পেটের যন্ত্রণা শুরু হয়। স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে চিকিৎসা করান অসুস্থরা। কিন্তু ওষুধ খেয়েও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার পর বসিরহাট জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর ওই এলাকায় শিবির বসিয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করছেন কর্মীরা। রেহেনা পারভিন, মুস্তাফা রহমান নামে দুই স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘ফুচকা খাওয়ার পরের দিন থেকেই একের পর এক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কমবেশি ১০০ জন অসুস্থ। স্বাস্থ্যদপ্তরের অনুমান, ফুচকা থেকে বিষক্রিয়ার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।’ বসিরহাট স্বাস্থ্যজেলার ডেপুটি সিএমওএইচ অনুপম ভট্টাচার্য জানান, দুই গ্রামেই হেলথ ক্যাম্প করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। নিজস্ব চিত্র