সংবাদদাতা, ইসলামপুর: যত কাণ্ড পাঞ্জিপাড়ায়। পঞ্চায়েত প্রধানকে শ্যুটআউটের পর পুলিসকে গুলি। কার্যত দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বিহার লাগোয়া পাঞ্জিপাড়ার ৩১ নং জাতীয় সড়ক। বাংলার বাড়ির টাকা লোপাট কাণ্ডেও যোগ মিলেছিল এখানকার কয়েকজনের।
Advertisement
উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার ও বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া গোয়ালপোখর থানা। তার অধীনে পাঞ্জিপাড়া পুলিস ফাঁড়ি। বিহারের কিষাণগঞ্জ থেকে গাইসাল পর্যন্ত ৩১ নং জাতীয় সড়কে পাঞ্জিপাড়া পুলিস টহলদারি চালায়।
দু’বছর আগে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ রাহিকে (৫১) দিনেদুপুরে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। কলোনি মোড় এলাকায় ৩১ নং জাতীয় সড়কে প্রধানকে শ্যুটআউট করে পগারপার হয়েছিল দুষ্কৃতীরা।
সম্প্রতি বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কয়েকজন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়ে যায়। পাঞ্জিপাড়াতেই প্রথম টাকা লোপাটের যোগ উঠে এসেছিল।
তারপর গত বুধবার বিকেলে একেবারে ফিল্মি কায়দা। ইসলামপুর আদালত থেকে রায়গঞ্জের সেন্ট্রাল জেলে ফেরার পথে দুই পুলিসকর্মীকে গুলি করে পালিয়ে যায় বিচারাধীন বন্দি। এবার ঘটনাস্থল পাঞ্জিপাড়ার ইকরচালা কালীবাড়ি এলাকা। একের পর এক হাড়হিম করা ঘটনায় উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, প্রায় এক কিমি দূরে বিহার ও প্রায় ২০ কিমি দূরে বাংলাদেশ সীমান্ত। প্রায় ৯০ কিমি দূরে নেপাল। অপরাধ সংগঠিত করে ভিনরাজ্য বা দেশে দুষ্কৃতীদের পালানো সহজ। এরাজ্যের পুলিস বিহারে গিয়ে সরাসরি অভিযান চালাতে পারে না। তার জন্য কিছু নিয়ম মানতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়। ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা নাগালের বাইরে চলে যায়। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজা সিংয়ের কথায়, বিহাল লাগোয়া হওয়ায় এই এলাকায় দুষ্কৃতীদের উপদ্রব বেড়েছে। সেটা যথেষ্ট চিন্তার। তবে পুলিসও খুব ভালো কাজ করছে। স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি শনিবার লোধন হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, একদিকে বিহার, অন্যদিকে বাংলাদেশ সীমান্ত। তাই এই এলাকায় অপরাধ করে পালিয়ে যাওয়া সহজ হওয়ায় একের পর এক অপরাধমূলক কাণ্ড ঘটছে। তবে পুলিস ও প্রশাসন সজাগ আছে। দুষ্কৃতীরা ঠিক ধরা পড়বে।
দু’বছর আগে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ রাহিকে (৫১) দিনেদুপুরে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। কলোনি মোড় এলাকায় ৩১ নং জাতীয় সড়কে প্রধানকে শ্যুটআউট করে পগারপার হয়েছিল দুষ্কৃতীরা।
সম্প্রতি বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কয়েকজন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়ে যায়। পাঞ্জিপাড়াতেই প্রথম টাকা লোপাটের যোগ উঠে এসেছিল।
তারপর গত বুধবার বিকেলে একেবারে ফিল্মি কায়দা। ইসলামপুর আদালত থেকে রায়গঞ্জের সেন্ট্রাল জেলে ফেরার পথে দুই পুলিসকর্মীকে গুলি করে পালিয়ে যায় বিচারাধীন বন্দি। এবার ঘটনাস্থল পাঞ্জিপাড়ার ইকরচালা কালীবাড়ি এলাকা। একের পর এক হাড়হিম করা ঘটনায় উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, প্রায় এক কিমি দূরে বিহার ও প্রায় ২০ কিমি দূরে বাংলাদেশ সীমান্ত। প্রায় ৯০ কিমি দূরে নেপাল। অপরাধ সংগঠিত করে ভিনরাজ্য বা দেশে দুষ্কৃতীদের পালানো সহজ। এরাজ্যের পুলিস বিহারে গিয়ে সরাসরি অভিযান চালাতে পারে না। তার জন্য কিছু নিয়ম মানতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়। ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা নাগালের বাইরে চলে যায়। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজা সিংয়ের কথায়, বিহাল লাগোয়া হওয়ায় এই এলাকায় দুষ্কৃতীদের উপদ্রব বেড়েছে। সেটা যথেষ্ট চিন্তার। তবে পুলিসও খুব ভালো কাজ করছে। স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি শনিবার লোধন হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, একদিকে বিহার, অন্যদিকে বাংলাদেশ সীমান্ত। তাই এই এলাকায় অপরাধ করে পালিয়ে যাওয়া সহজ হওয়ায় একের পর এক অপরাধমূলক কাণ্ড ঘটছে। তবে পুলিস ও প্রশাসন সজাগ আছে। দুষ্কৃতীরা ঠিক ধরা পড়বে।



