নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: হাঁসখালির ঘটনার জের! এবার নদীয়া জেলাজুড়ে সকল পঞ্চায়েতের জন্ম শংসাপত্র ইস্যু নিয়ে বাড়তি নজরদারি চালানো হবে। জেলা প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরাই সেই নজরদারি চালাবেন। কোনও পঞ্চায়েত থেকে অস্বাভাবিকভাবে বেশি মাত্রায় জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হলেই তা তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি জন্ম শংসাপত্র পেতে আবেদনকারীর সমস্ত নথি আরও ভালো করে খতিয়ে দেখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের তরফ থেকেও পঞ্চায়েতের সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের এব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পঞ্চায়েতকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Advertisement
নদীয়া জেলার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ বলেন, ‘বিষয়টি ব্লক প্রশাসনকে গুরুত্ব সহকারে দেখতে বলে হয়েছে। পঞ্চায়েতের জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করার উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথি যাচাই করতে বলা হয়েছে।’
সম্প্রতি নদীয়া জেলার হাঁসখালি ব্লকের সীমান্ত লাগোয়া বিজেপি পরিচালিত বগুলা-২ পঞ্চায়েত থেকে জন্মের একাধিক জাল শংসাপত্র ইস্যু করার বিষয়টি সামনে এসেছে। যার জন্য পঞ্চায়েতের সচিব সহ একাধিক ব্যক্তিকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ওই পঞ্চায়েত থেকে প্রায় পাঁচ হাজার জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছে। এই ঘটনার পর জেলা প্রশাসনও নড়েচড়ে বসেছে। নবান্নের সঙ্গে বৈঠককে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসনকে।
সেইমতো জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে প্রতিটি পঞ্চায়েতের উপর কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা নিয়ে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করা গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেইমতো ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে এই জন্ম শংসাপত্রের পাশাপাশি মৃত্যু শংসাপত্রও ইস্যু করা নিয়েও ‘অডিট’ করা হচ্ছে।
প্রশাসনের আধিকারিকদের কথায়, হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমে বাচ্চা প্রসব হলে তা সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতে জানানো হয়। সেক্ষেত্রে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করতে সমস্যা হয় না। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, বাড়িতেই বাচ্চা প্রসব হয়েছে। তাদের জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা নিয়ে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মায়ের চিকিৎসার নথিপত্র খুঁটিয়ে দেখবেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। যদিও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলাজুড়েই সিংহভাগ পঞ্চায়েতের জন্মের হারের সঙ্গে শংসাপত্র ইস্যু করার অনুমতি স্বাভাবিক। তবে কিছু পঞ্চায়েতে এই শংসাপত্র বেশি পরিমাণে ইস্যু করার প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। যা চিহ্নিত করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে।
উল্লেখ্য, সীমান্তের জেলা নদীয়াতে ১৮৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। তার মধ্যে নদীয়া জেলার ২৫টি পঞ্চায়েত এলাকা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমানা ভাগ করে নেয়। স্বাভাবিকভাবেই এই পঞ্চায়েতগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকায়। সারাবছরই অনুপ্রবেশের আশঙ্কা থাকেই। মাঝেমধ্যেই সীমান্ত লাগোয়া থানাগুলোতে অনুপ্রবেশকারী ও দালালরা গ্রেপ্তার হয়। ধৃতদের কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বাজেয়াপ্ত হয়।
পুলিসের এক আধিকারিকের কথায়, সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর ভুয়ো নথি ব্যবহার করে অনেকেই নিজেদের আধারকার্ড তৈরি করে নেয়। যদিও সেই আধারকার্ড নকল হয়। আর জন্ম শংসাপত্র বের করে নিতে পারলে ভোটার কার্ডে নাম তোলাও সহজ হয়।
সম্প্রতি নদীয়া জেলার হাঁসখালি ব্লকের সীমান্ত লাগোয়া বিজেপি পরিচালিত বগুলা-২ পঞ্চায়েত থেকে জন্মের একাধিক জাল শংসাপত্র ইস্যু করার বিষয়টি সামনে এসেছে। যার জন্য পঞ্চায়েতের সচিব সহ একাধিক ব্যক্তিকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ওই পঞ্চায়েত থেকে প্রায় পাঁচ হাজার জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছে। এই ঘটনার পর জেলা প্রশাসনও নড়েচড়ে বসেছে। নবান্নের সঙ্গে বৈঠককে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসনকে।
সেইমতো জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে প্রতিটি পঞ্চায়েতের উপর কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা নিয়ে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করা গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেইমতো ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে এই জন্ম শংসাপত্রের পাশাপাশি মৃত্যু শংসাপত্রও ইস্যু করা নিয়েও ‘অডিট’ করা হচ্ছে।
প্রশাসনের আধিকারিকদের কথায়, হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমে বাচ্চা প্রসব হলে তা সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতে জানানো হয়। সেক্ষেত্রে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করতে সমস্যা হয় না। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, বাড়িতেই বাচ্চা প্রসব হয়েছে। তাদের জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা নিয়ে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মায়ের চিকিৎসার নথিপত্র খুঁটিয়ে দেখবেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। যদিও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলাজুড়েই সিংহভাগ পঞ্চায়েতের জন্মের হারের সঙ্গে শংসাপত্র ইস্যু করার অনুমতি স্বাভাবিক। তবে কিছু পঞ্চায়েতে এই শংসাপত্র বেশি পরিমাণে ইস্যু করার প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। যা চিহ্নিত করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে।
উল্লেখ্য, সীমান্তের জেলা নদীয়াতে ১৮৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। তার মধ্যে নদীয়া জেলার ২৫টি পঞ্চায়েত এলাকা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমানা ভাগ করে নেয়। স্বাভাবিকভাবেই এই পঞ্চায়েতগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকায়। সারাবছরই অনুপ্রবেশের আশঙ্কা থাকেই। মাঝেমধ্যেই সীমান্ত লাগোয়া থানাগুলোতে অনুপ্রবেশকারী ও দালালরা গ্রেপ্তার হয়। ধৃতদের কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বাজেয়াপ্ত হয়।
পুলিসের এক আধিকারিকের কথায়, সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর ভুয়ো নথি ব্যবহার করে অনেকেই নিজেদের আধারকার্ড তৈরি করে নেয়। যদিও সেই আধারকার্ড নকল হয়। আর জন্ম শংসাপত্র বের করে নিতে পারলে ভোটার কার্ডে নাম তোলাও সহজ হয়।



