সংবাদদাতা, বোলপুর: কঙ্কালীতলার উপপ্রধান অনুব্রতপন্থী মামন শেখ ও কাজল ঘনিষ্ঠ সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের আহ্বায়ক আলেফ সেখ পেলেন পুলিসি নিরাপত্তা। বোলপুরে এই দুই তৃণমূল নেতার বাড়িতে সম্প্রতি বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। তার প্রেক্ষিতে দু’জনই শান্তিনিকেতন থানায় প্রাণ সংশয় হওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তাঁদের একজন করে সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষী দিয়েছে পুলিস। যদিও বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, নেতাদের পিছনে নিরাপত্তা দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের কোনও নিরাপত্তা নেই। ফলে সমাজের অপরাধ বাড়ছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসে তৃণমূল নেতা মোহাম্মদ অহিউদ্দিন ওরফে মামনের লায়েকবাজারের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হলেও গোষ্ঠী বদলানো নিয়ে তিনি অধিক চর্চিত। কারণ, গোরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের জেলবন্দির সময় তাঁর সঙ্গ ছেড়ে কাজল শেখের গোষ্ঠীতে নাম লেখান তিনি। কিন্তু, অনুব্রত তিহার থেকে ফিরতেই মামন, কাজল শেখের সঙ্গ ছেড়ে ফের জেলা সভাপতি গোষ্ঠীতে যুক্ত হন। বারবার গোষ্ঠী বদলানোর প্রভাবও পড়ে তার পরপরই। তিনি কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পদে থাকলেও নানুরের বিধায়ক বিধান মাজি তাকে ওই পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেন। তার পরিবর্তে বিধায়ক এলাকা পরিচালনার জন্য আলেফ শেখ সহ মোট ছয়জনের একটি কোর কমিটি গঠন করেন। তবে বোমাবাজির ঘটনায় মামন নিরাপত্তা চেয়ে পুলিসের শরণাপন্ন হন। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে দিন কয়েক আগে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের অন্যতম পরিচালক তথা আহ্বায়ক আলেফ শেখের বাড়িতে বোমা মারার ঘটনা সামনে আসে। একইভাবে তিনিও প্রাণনাশের আশঙ্কা করে শান্তিনিকেতন থানার দ্বারস্থ হন। এই দুই নেতার বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার প্রেক্ষিতে নানুর বিধানসভার অন্তর্গত লায়েকবাজার রাজনৈতিকভাবে সরগরম রয়েছে। তাই সবকিছু খতিয়ে দুই নেতাকেই সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শান্তিনিকেতন থানা।
এ প্রসঙ্গে মামন বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। তাই পুলিস রক্ষী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করি, পঞ্চায়েতে গিয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারব। অন্যদিকে আলেফ বলেন, বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কিত ছিলাম। পুলিস উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। যদিও কারা বোমাবাজি করেছে ,এ প্রসঙ্গে দুজনেই কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ ওরফে অষ্টম মণ্ডল। তিনি বলেন, পুলিস অর্থ, সময়, লোকবল অপচয় করে যদি তৃণমূলের চুনোপুঁটি নেতাদেরও নিরাপত্তা দেওয়া শুরু করে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? দিন দিন সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে, ঘটছে চুরি, রাহাজানির ঘটনা। তাই দলদাস হয়ে নয়, বরং পুলিসের নিরপেক্ষভাবে কাজ করা উচিত।
এ প্রসঙ্গে মামন বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। তাই পুলিস রক্ষী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করি, পঞ্চায়েতে গিয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারব। অন্যদিকে আলেফ বলেন, বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কিত ছিলাম। পুলিস উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। যদিও কারা বোমাবাজি করেছে ,এ প্রসঙ্গে দুজনেই কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ ওরফে অষ্টম মণ্ডল। তিনি বলেন, পুলিস অর্থ, সময়, লোকবল অপচয় করে যদি তৃণমূলের চুনোপুঁটি নেতাদেরও নিরাপত্তা দেওয়া শুরু করে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? দিন দিন সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে, ঘটছে চুরি, রাহাজানির ঘটনা। তাই দলদাস হয়ে নয়, বরং পুলিসের নিরপেক্ষভাবে কাজ করা উচিত।



