Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পঞ্চায়েত সহায়ক অনিয়মিত, অভিযোগ বাসিন্দাদের

পঞ্চায়েত সহায়ক অনিয়মিত, অভিযোগ বাসিন্দাদের
  • ৫ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: পঞ্চায়েত সহায়ক নিয়মিত অফিস আসেন না। ফলে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র তুলতে এসে মানুষকে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। কেউ এক সপ্তাহ, অনেকে আবার এক মাস ধরে ঘুরছেন বলে জানিয়েছেন।
Advertisement
অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের সহায়ক মইনুল হকের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি আরও কয়েকজন কর্মী নিয়মিত অফিস না আসায় গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েতের সহায়ক অফিসে নিয়মিত আসেন না। সপ্তাহে দু’দিন এলে চারদিন গরহাজির থাকেন। পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা পরিষেবা নিতে এসে কর্মীদের দেখা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কোনওদিন কর্মীর অভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয় অফিসে। গাররা গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ ফিরোজ বলেন, মেয়ের নাম সংশোধন করার জন্য কাগজ দিয়েছি। ১৫ দিন ধরে ঘুরেও সহায়কের দেখা পাচ্ছি না। মঙ্গলবারও এসে দেখি সহায়ক আসেননি। 
ওই সহায়ক মর্জিমাফিক অফিসে আসছেন বলে অভিযোগ বহর হোসেনপুর গ্রামের বাসিন্দা বাবুল আলমের। তাঁর কথায়, মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য পুরনো জন্ম শংসাপত্র নেওয়ার জন্য একমাস ধরে ঘুরছি। কিন্তু তাঁর দেখা পাচ্ছি না। ফোন করলে অসুস্থ আছি, ছুটিতে আছি বলে টালবাহানা করছেন। সহায়ক মাইনুলের দাবি, নিয়মিত অফিস যাই। মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়া হয়। একাই সব সামলাতে হয়। তাই শংসাপত্র দিতে কয়েকদিন দেরি হয়। পঞ্চায়েত প্রধান সামিমা পারভিন বলেন, সপ্তাহে তিনদিন আসেন সহায়ক। মঙ্গলবার ছুটি নিয়েছিলেন বলে আসেননি। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ